শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও চিকিৎসা

আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, বর্তমান সময়ে সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে। ডেঙ্গু দেশ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বড়দের মধ্যে এবং শিশুদের মধ্যে এই রোগ বেশি আকার প্রভাব বিস্তার করেছে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এটা আরও বেশি। আমাদের সচেতন থাকার দরকার। কারণ শিশুরা নিজেরা কিছু বলতে পারে না এবং দ্রুতই তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, বর্তমান সময়ে যদি কোনো শিশুর জ্বর হয় তাহলে আপনারা সেটা হাল্কা ভাবে দেখবেন না। ডাক্তারি শাস্ত্র মতে, বর্তমান সময়ে জ্বর হওয়াকে আমরা প্রথমত মনে করছি। এটা ডেঙ্গুর জন্যই হয়েছে যতক্ষণ না পর্যন্ত আমরা তার অন্য কোন কারণে জ্বর হয়েছে বলে নিশ্চিত না হতে পারছি। তাই আপনার শিশুর আগে যেমন জ্বর হলে মনে করতাম যে এক দুই তিন দিন দেখি। না ভালো হলে তারপরে ওষুধ খাব। ডাক্তারের কাছে যাব।

শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও চিকিৎসা

বর্তমান সময়ে কিন্তু টানা ডেঙ্গু প্রথমদিনের যদি দেখেন বাচ্চার জ্বর হলো এবং যত্রাদেস হচ্ছে, বাচ্চা অস্বস্তি বোধ করছে। বিশেষ করে বমি বমি ভাব লাগছে। তাহলে আর একটুও দেরি না করে তখনি আপনার নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডেঙ্গু টেস্ট করতে হবে। ডেঙ্গু টেস্ট করার পরে আমরা জানি যে হয়তো শতকরা 70 ভাগ ডেঙ্গু পজেটিভ হবে। আর বাকি দুই একজন বার্ষিক 5% যদি পজিটিভ হয়। আপনার শিশুর জ্বর থাকে, বেশি শিশু অসস্তি বোধ করে, বমি বমি ভাব প্রথমেই অনুভূত হবে। আপনারা যদি মনে করে থাকেন না ডেঙ্গু হলে তো চোখ লাল হবে, গায়ে ফুসকুড়ি পড়বে, সেটা কিন্তু প্রাথমিক লক্ষণ নয়। প্রাথমিক লক্ষণ ডেঙ্গু জ্বর হবে, বমি বমি লাগে, শিশু অসুস্থ বোধ করবে, কারো কারো ক্ষেত্রে হাত পা মাথা ব্যাথা ব্যাথা করতে পারে।

তাহলে আপনি প্রথমে কি করবেন?

  • প্রথমেই ডেঙ্গু জ্বরের ওষুধ যেমন আমরা প্যারাসিটামল খাওয়া বা তার পাশাপাশি শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণ তরল খাওয়া নিশ্চিত করতে হবে।
  • তরল মানে ডাবের পানি। এগুলি তরলের মধ্যে পড়ে।
  • আমরা কিন্তু স্যালাইন খাব না যদি শিশু বমি করে তাহলে আমরা কিছুটা পরিমাণগত স্যালাইন খাওয়াতে পারি।
  • একটু বমির ওষুধ খাওয়াতে পারি।
  • নিশ্চিত হতে হবে যে,  শিশুর ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে। 
  • সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নেন।
  • বেশি অসুবিধা হলে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আতঙ্কিত হবেন না। সচেতন হোন। এই ভাবেই আমরা মোকাবেলা করতে সক্ষম হব। 

Powered by Blogger.