সর্বশেষ

দাঁতের দাগ দূর করা এবং দাঁত সাদা করার উপায়

দাঁতের দাগ দূর করা এবং দাঁত সাদা করার উপায়

একটি উজ্জ্বল ও সুন্দর হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস এবং আপনার মুখের স্বাস্থ্য উভয়ের জন্যই দারুন ভাবে কাজ করতে পারে। যদি আমাদের সেই হাসি মলিন হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে আমাদের সবারই মন খারাপ থাকে। কি কি কারণে আমাদের মুখের দাগ হয়ে থাকে এবং এই দাগের প্রতিকার কি হতে পারে? এর চিকিৎসা পদ্ধতি আমরা কি দিয়ে থাকি? সে বিষয়ে আমি আজকে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। প্রথমে যে কারণে হতে পারে সেটা হচ্ছেঃ ফুড চেইন। অনেক সময় আমাদের খাবার-দাবারে বিভিন্ন রকম কালার এড করা থাকে। সেই খাবার-দাবার যদি আমরা খেয়ে থাকি সেই ক্ষেত্রে সেই খাবারের কালার আমাদের দাঁতে লেগে এক ধরনের ইয়েলো বা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের যেমন চেরি। এই ধরনের খাবার যদি আমরা খেয়ে থাকি সেই ক্ষেত্রে ওই কালার গুলা আমাদের দা এসে লেগে থাকে এবং যাতে একটা ডিসিশন তৈরি হয়ে থাকে। সেটা হচ্ছে চা বা কফি। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের চেয়ে থাকি এবং এটা হচ্ছে আমাদের পছন্দের তালিকায় অন্যতম। কিন্তু মুখের দাগ পড়ার জন্য বা দাঁতে দাঁত পড়ার জন্য এবং কফি দারুণভাবে আমাদেরকে এফেক্ট করে থাকে।

প্রকৃত দেখা যায়, মুখে অনেক সময় কালচে কালচে এক ধরনের চেইন পড়ে থাকে। যেটা হচ্ছে পড়ে থাকলে পরবর্তীতে আমাদের অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হয় এবং স্কেলিং ও পলিশিং এর মাধ্যমে সেই দাগ দূর করতে হয়। ঘরোয়া উপায়ে সেটা কোন ভাবে তখন উঠানো সম্ভব হয়না। কেমিক্যাল আমরা অনেক সময় ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করতে বলি এবং মাউথওয়াশ ফ্লোরাইডযুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে বলে দেখা যায়। যদিও ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করার দরুন আমরা অনেক সময় রাতে এক ধরনের ক্লোরাইড এর জন্য ফ্লুরোসিস জাতীয় এক ধরনের দাগ পড়ে থাকে। বাইরে থাকে দেখা যায়, বাইরের দেশগুলোতে ওরা অনেক সময় পানিতে ক্লোরাইড এড করে দেয় এবং সাধারণত দেখা যায় অনেক সময় রাস্তাঘাটে জাতীয় বিভিন্ন কেমিক্যাল জাতীয় কিছু করা থাকে। যেগুলো হয়েছে মুখের দাগ দূর করবে এরকম বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে তারা রোগীদেরকে আকর্ষণ করার চেষ্টা করে। কিন্তু এই ধরনের কেমিক্যাল জাতীয় লোশন আমাদের মুখের দাগের জন্য অন্যতম কারণ এবং এসব বিজ্ঞাপন থেকে অবশ্যই আমরা নিজেদের বাঁচিয়ে রাখব।

পরবর্তীতে পয়েন্ট সেটা হচ্ছে আঘাতজনিত কারণে অনেক সময় দেখা যায় আমরা অনেক কারণে আঘাত পেয়ে থাকি বা নলকূপের অনেক সময় হচ্ছে আমরা আঘাত লেগে। আমাদের অনেক বছর ওই অবস্থায় থাকতে থাকতে একসময় দেখা যায় তাতে দিস্কাশন শুরু হয়ে যায় এবং সে আঘাত জনিত দূষণ দূর করার জন্য শরণাপন্ন হতে হয়। ডক্টরের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি আমরা দিয়ে থাকি। অনেক সময় দেখা যায় রুট ক্যানেল করা যাতে আমরা করতে বলি কিন্তু রুট ক্যানেল। যদি দীর্ঘদিন অবস্থায় থাকে সেই ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেক সময় রুট ক্যানেল করা যাত্রী দীর্ঘদিন অবস্থায় করা থাকলে সেখানে একধরনের বিশ্লেষণ হয়ে যেতে পারে। সে জন্য রুট ক্যানেল চিকিৎসার পর আমরা অবশ্যই রোগীদেরকে করার পরামর্শ দিয়ে থাকে। আর তা না হলে তাতে এক ধরনের হয়ে থাকে।

দাঁতের দাগ দূর করা এবং দাঁত সাদা করার উপায়

এরপর যদি আমরা নিয়মিত দাঁত ব্রাশ না করে সেই ক্ষেত্রে হচ্ছে এবং মাড়ির অনেক সময় দাতে অনেক কালেকশন নিয়ে আসে বাধাতে হচ্ছে এক ধরনের দাগ দেখা যায়। সেই ক্ষেত্রে ঐটার জন্যই হয়ে থাকে। তবে 8 বছরের নিচে বাচ্চাদের কে আমরা টেট্রাসাইক্লিন কখনো সাজেস্ট করি না। আমাদের অনেকেরই একটা অভ্যাস থাকে। স্মোকিং এর জন্য আদালতে দাঁত পড়ার অন্যতম কারণ। রাতে এক ধরনের কাজ করে থাকে সেটা হচ্ছে আপনার আসন টেকনিকের মাধ্যমে কখনো ওইভাবে প্রপারলি রিমুভ হয় না। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন ডেন্টাল সার্জনের কাছে যেতে হয় এবং ক্যানিং এর মাধ্যমে সেটা দূরীভূত করতে হয়। পরবর্তীতে তা হতে পারে আপনার মুখের দাগের একটি অন্যতম কারণ হতে পারে। আয়রনের দাগ দেখা যায়। পানিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে এবং আয়রন জাতীয় পানি যদি আমরা যেগুলার বেচে পান করতে থাকি।

সেই ক্ষেত্রে হচ্ছে তাতে এক ধরনের দাগ পড়ে থাকে এবং সেটা হচ্ছে আয়রনের দাগ। এভাবে আপনার যদি সম্ভব না হয় সে ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয় এবং স্কেলিং এর মাধ্যমে সেই রাতটা দূরীভূত করা হয়। আমাদের অনেকেই হচ্ছে তামাক জর্দা পান সুপারি এ ধরনের জিনিসের প্রতি অ্যাট্রাকশন থেকে থাকে। অবশ্যই একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে এ দাগগুলো দূরীভূত করতে হয়। এখন আমি আলোচনা করব এর দাত গুলা কিভাবে আমরা কোন চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে দূরীভূত করতে পারে।

সেক্ষেত্রে যদি আপনার মুখের ক্যালকুলাস হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে অবশ্য একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে এবং স্কেলিং ও পলিশিং এর মাধ্যমে সেই দাগ দূর করতে হবে। অবশ্যই নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করতে হবে। মাউথওয়াশ ইউজ করতে হবে এবং ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করতে হবে। এই দাগ গুলো থেকে যদি আপনি মোটামুটি পেতে চান এবং যে আঘাতজনিত দাগ গুলো রয়েছে সেগুলো হচ্ছে রুট ক্যানাল ট্রিটমেন্ট এর মাধ্যমে আমরা রোগীদেরকে করে ওই দূর করতে পারি এবং ট্রাইটেশন হয়ে থাকে সেটা হচ্ছে একটা চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। দাঁতে দাগ দূর করার জন্য এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে দাঁতের ক্ষয় হয়ে থাকে সেই দাগ দূর করার জন্য অবশ্যই আমরা ফিলিং করতে বলি। ফিলিং এর মাধ্যমে সেই দাগ দূরীভূত করা যায়। সেজন্য অবশ্যই আপনাদেরকে ডক্টরের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে এবং দাগ মুক্ত সুন্দর আসি তাহলে আপনারা পেতে পারেন ধন্যবাদ সবাইকে।

আইফোন 16 আপডেটে যেগুলি পরিবর্তন হয়েছে

আইফোন 16 আপডেটে যেগুলি পরিবর্তন হয়েছে

আইফোন সকলের একটি জনপ্রিয় ফোন। এই ফোনে ইতিমধ্যে আইফোনে 16 আপডেট এসে গেছে। এই আপডেটের ফলে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। আজকে আমরা সে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যেগুলো পরিবর্তন হয়েছে।

আইফোন 16 আপডেটে যেগুলি পরিবর্তন হয়েছে

স্ক্রীন পরিবর্তন

পুনরায় ডিজাইন করা লক স্ক্রীন আপনাকে পছন্দের ফটো প্রদর্শন করাতে সক্ষম, ফন্ট শৈলী কাস্টমাইজ করা যাবে, উইজেট প্রদর্শন এবং আরও অনেক কিছুর মাধ্যমে আপনার লক স্ক্রীনকে ব্যক্তিগতকৃত করার সমস্ত কলা কৌশল গুলি রয়েছে। যেটা আপনার ফোনকে স্টান্ডার লেভেলে পৌঁছে দেবে এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে। এছাড়াও একাধিক লক স্ক্রিন তৈরি করা যাবে এবং আপনি সহজেই তাদের মধ্যে স্যুইচ করতে পারবেন। লক স্ক্রিন গ্যালারী আপনার লক স্ক্রীনের জন্য অ্যাপল-কিউরেটেড সংগ্রহের সাথে ব্যক্তিগতকৃত পরামর্শ প্রদান করবে। এছাড়াও আপনাকে লক স্ক্রিনে তারিখ এবং সময়ের কাস্টমাইজ করার জন্য ফন্ট এবং রঙের বিকল্প তৈরি করার ব্যবস্থা করে দেবে। লক স্ক্রিনে উইজেটগুলি নজরে তথ্য প্রদর্শন করে যেমন আবহাওয়া, ব্যাটারির স্তর, আসন্ন ক্যালেন্ডার ইভেন্ট এবং আরও অনেক কিছু রয়েছে যেগুলো অবশ্যই আপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। এছাড়াও আপনি চাইলে স্ক্রীন লক এ আপনার ব্যক্তিগত ছবি প্রদর্শন করাতে পারেন। ফটো শৈলী একে অপরের পরিপূরক হতে লক স্ক্রিনে ফটোগুলির রঙ ফিল্টার, টিংটিং এবং ফন্ট শৈলী পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। এছাড়াও এই আপডেটের ফলে বিজ্ঞপ্তিগুলি আপনার লক স্ক্রিনের নীচে প্রদর্শিত হয় এবং প্রসারিত তালিকা, স্ট্যাক করা বা ভিউ গণনাতে প্রদর্শিত করতে পারবেন।

ফোকাস

লক স্ক্রিন লিঙ্কিং আপনার লক স্ক্রীনকে একটি ফোকাসের সাথে সংযুক্ত করে, তাই আপনি সংশ্লিষ্ট লক স্ক্রিনে স্যুইচ করে একটি ফোকাস সক্রিয় করতে পারেন। এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করাতে পারেন।এছাড়াও আপনি ফোকাস ফিল্টার ক্যালেন্ডার, মেল, বার্তা, সাফারি এবং তৃতীয় পক্ষের অ্যাপের মতো অ্যাপে বিভ্রান্তিকর বিষয়বস্তু লুকিয়ে রাখতে পারবেন। আপনার সেট আপ করা ফোকাসের সাথে প্রাসঙ্গিক অ্যাপ্লিকেশান এবং উইজেটগুলি অন্তর্ভুক্ত করে ব্যক্তিগতকৃত লক স্ক্রীন এবং হোম স্ক্রীন পরামর্শ সহ ফোকাসের সাথে শুরু করা সহজ এবং দ্রুত করে তোলে

বার্তা

এটি পাঠানোর পরে 15 মিনিট পর্যন্ত একটি বার্তা সম্পাদনা করতে পারবেন। প্রাপকরা সম্পাদনার একটি রেকর্ড দেখতে পারবে। আনডু সেন্ড আপনাকে যেকোনো বার্তা পাঠানোর পর 2 মিনিট পর্যন্ত রিকল করতে দেয়। এটি পরে একটি কথোপকথনে ফিরে আসা সহজ করে তোলে।বার্তাগুলিতে শেয়ারপ্লে আপনাকে মেসেজ করার সময় বন্ধুদের সাথে সিনেমা দেখা, গান শোনা, গেম খেলা এবং আরও অনেক কিছু উপভোগ করতে দেয় যেটাই আপডেটের মাধ্যমে সম্ভব। এছাড়াও সহযোগিতা বার্তার মাধ্যমে একটি ফাইলে সহযোগিতা করার জন্য অন্যদের আমন্ত্রণ জানানোর একটি সহজ উপায় প্রদান করে এবং যখন কেউ একটি শেয়ার করা প্রজেক্টে একটি সম্পাদনা করে তখন থ্রেডে কার্যকলাপের আপডেটগুলি পান।

মেইল

উন্নত অনুসন্ধান আরও সঠিক ভাবে কাজ করবে, সম্পূর্ণ ফলাফল প্রদান করে এবং আপনি টাইপ করা শুরু করার সাথে সাথে পরামর্শ প্রদান করে। যেটি অনেকটাই আপনার কাজকে সহজ করে তুলবে। আপনি চাইলে নির্ধারিত  তারিখে তথ্য প্রেরণ করতে পারেন এবংনির্দিষ্ট সময়ে সেই মেইল তার কাছে পৌঁছে যাবে। অর্থাৎ সময় সিডিউল করতে পারবেন। ফলো-আপ আপনার ইনবক্সের শীর্ষে প্রেরিত ইমেলগুলি দেখায় যেগুলির উত্তর দেওয়া হয়নি। যাতে আপনি দ্রুত ফলো আপ করতে পারেন। নির্দিষ্ট তারিখ সেটআপ এর ফলে, আপনাকে একটি ইমেল সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য একটি তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করতে দেয়৷

সাফারি এবং পাসকি

শেয়ার্ড ট্যাব গ্রুপগুলি আপনাকে অন্যদের সাথে ট্যাবগুলির একটি সেট শেয়ার করতে দেয় এবং আপনি একসাথে কাজ করার সাথে সাথে ট্যাব গ্রুপ আপডেট দেখতে দেয়। ট্যাব গ্রুপের সূচনা পৃষ্ঠাগুলি প্রতিটি ট্যাব গ্রুপের জন্য বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ এবং পছন্দের সাথে কাস্টমাইজ করা যাবে। ট্যাব গ্রুপগুলিতে পিন করা ট্যাবগুলি আপনাকে প্রতিটি ট্যাব গ্রুপের জন্য ঘন ঘন  করে দেখাবে। অর্থাৎ ওয়েবসাইটগুলি পিন করতে পারবেন। সাফারি ওয়েব পৃষ্ঠা অনুবাদ তুর্কি, থাই, ভিয়েতনামী, পোলিশ, ইন্দোনেশিয়ান এবং ডাচ ভাষায় ওয়েব পৃষ্ঠাগুলির জন্য অনুবাদ যোগ করে নিতে পারবেন।  এছাড়াও পাসকিগুলি পাসওয়ার্ড প্রতিস্থাপন করার জন্য একটি সহজ এবং নিরাপদ সাইন-ইন পদ্ধতির সমর্থন করে৷  আইক্লাউড কীচেনের মাধ্যমে পাসকি সিঙ্ক করা আপনার পাসকিগুলিকে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড রেখে আপনার সমস্ত অ্যাপল ডিভাইস জুড়ে উপলব্ধ করে।

লাইভ টেক্সট

লাইভ টেক্সট ভিডিও সমর্থন আপনাকে একটি বিরতি দেওয়া ভিডিও ফ্রেমে পাঠ্যের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে দেয়। যাতে আপনি অনুলিপি, অনুবাদ, সন্ধান, শেয়ার এবং আরও অনেক কিছু করতে পারেন। দ্রুত অ্যাকশনগুলি আপনাকে ফটো এবং ভিডিওগুলিতে শনাক্ত করা ডেটার উপর একটি ট্যাপের মাধ্যমে পদক্ষেপ নিতে দেয়। যাতে আপনি ফ্লাইট বা চালান ট্র্যাক করতে পারেন। বিদেশী ভাষা অনুবাদ করতে পারেন। মুদ্রা রূপান্তর করতে পারেন এবং আরও অনেক কিছু এই আপডেটের মাধ্যমে করতে পারবেন।

ভিজ্যুয়াল লুক আপ

একটি চিত্রের বিষয়কে আলাদা করে যাতে আপনি এটিকে মেল এবং বার্তাগুলির মতো অ্যাপগুলিতে কপি করে পেস্ট করতে পারেন। ভিজ্যুয়াল লুক আপ আপনার ফটোতে পাখি, পোকামাকড়, মাকড়সা এবং মূর্তিগুলির স্বীকৃতি যোগ করে নিতে পারবেন।

সিরি

ইজি শর্টকাট সেটআপ সিরি-এর সাথে শর্টকাট করে নিতে পারবেন। যখন আপনি কোনও আপফ্রন্ট সেটআপ ছাড়াই একটি অ্যাপ ডাউনলোড করেন। একটি নতুন সেটিং আপনাকে সিরি পাঠানোর আগে নিশ্চিত করতে না বলেই বার্তা পাঠাতে দেয়৷  "হ্যালো সিরি, আমি এখানে কি করতে পারি?" শুধুমাত্র জিজ্ঞাসা করে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করার জন্য চেষ্টা করে। "হেই সিরি, হ্যাং আপ" বলে সিরির সাথে ফোন এবং ফেসটাইম কল শেষ করার জন্য কল হ্যাং-আপ বিকল্প।

ডিকটেশন

সব-নতুন ডিকটেশন অভিজ্ঞতা পাঠ্য প্রবেশ ও সম্পাদনা করতে আপনার ভয়েস এবং কীবোর্ড একসাথে ব্যবহার করতে পারবেন। স্বয়ংক্রিয় বিরাম চিহ্ন আপনার নির্দেশ অনুসারে কমা, পূর্ণ স্টপ এবং প্রশ্ন চিহ্ন সন্নিবেশিত করবে। এছাড়াও আপনি চাইলে ভয়েস ব্যবহার করে ইমোজি সন্নিবেশন করতে পারেন।

মানচিত্র

মাল্টি-স্টপ রাউটিং ম্যাপে আপনার ড্রাইভিং রুটে পনেরটি পর্যন্ত স্টপ যোগ করতে সমর্থন করে।ম্যাপে ভ্রমণ কার্ডগুলি আপনাকে কম ব্যালেন্স দেখতে দেয় এবং আপনি যখন ওয়ালেটে ভ্রমণ কার্ডগুলি যোগ করেন তখন আপনার কার্ড পুনরায় পূরণ করতে দেয়। সব কিছুই মানচিত্র ছাড়াই। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ভাড়া আপনাকে দেখায় যে সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, লন্ডন, নিউ ইয়র্ক এবং সান দিয়েগোতে আপনার যাত্রার খরচ কত হবে।

অ্যাপল পে এবং ওয়ালেট

অ্যাপল পে অর্ডার ট্র্যাকিং আপনাকে অংশগ্রহণকারী বণিকদের সাথে অ্যাপল পে ক্রয়ের জন্য ওয়ালেটে বিশদ প্রাপ্তি এবং অর্ডার ট্র্যাকিং তথ্য দিয়ে থাকে।

বাড়ি

পুনরায় ডিজাইন করা হোম অ্যাপটি আপনার স্মার্ট হোম আনুষাঙ্গিক নেভিগেট, সংগঠিত, দেখা এবং নিয়ন্ত্রণ করা সহজ করে তোলে। হোম ট্যাব এখন আপনার সমস্ত আনুষাঙ্গিক, রুম এবং দৃশ্যগুলিকে পুরো ঘরের দৃশ্যের জন্য একটি একক ট্যাবে সংহত করে, যা আপনাকে এক নজরে আপনার সম্পূর্ণ বাড়ি দেখতে দেয়। আলো, জলবায়ু, নিরাপত্তা, স্পিকার এবং টিভি, এবং জলের জন্য বিভাগগুলি আপনাকে রুম দ্বারা সংগঠিত সমস্ত প্রাসঙ্গিক আনুষাঙ্গিকগুলি দ্রুত অ্যাক্সেস করতে দেয় এবং আরও বিশদ স্থিতি তথ্য প্রদর্শন করে। নতুন ক্যামেরা ভিউ হোম ট্যাবে সামনে এবং কেন্দ্রে চারটি ক্যামেরা পর্যন্ত প্রদর্শন করে। আপনার বাড়িতে যেকোনো অতিরিক্ত ক্যামেরা ভিউ দেখতে স্ক্রোল করুন তাহলে দেখতে পারবেন। পুনরায় ডিজাইন করা আনুষঙ্গিক টাইলগুলিতে আরও দৃশ্যমানভাবে সনাক্তযোগ্য আইকনগুলি রয়েছে যা তাদের বিভাগের সাথে রঙের সাথে মিলে যায়।

স্বাস্থ্য

ওষুধের বৈশিষ্ট্য আপনাকে একটি তালিকা, কাস্টম সময়সূচী এবং অনুস্মারক তৈরি করে এবং তারপর সময়ের সাথে লগিং দেখার মাধ্যমে আপনার ওষুধ, ভিটামিন এবং সম্পূরকগুলি ট্র্যাক এবং পরিচালনা করতে সহায়তা করে। চক্র বিচ্যুতি বিজ্ঞপ্তিগুলি আপনাকে সতর্ক করে যদি আপনার লগ করা মাসিক চক্রগুলি বিরল পিরিয়ড, অনিয়মিত পিরিয়ড, দীর্ঘায়িত পিরিয়ড বা ক্রমাগত দাগ দেখায়। স্বাস্থ্য ভাগ করে নেওয়ার আমন্ত্রণগুলি প্রিয়জনকে তাদের স্বাস্থ্যের ডেটা আপনার সাথে সহজে এবং নিরাপদে ভাগ করতে দেয়। স্বাস্থ্য শেয়ারিং অনুস্মারক আপনাকে স্বচ্ছতা এবং স্বাস্থ্যের ডেটার উপর নিয়ন্ত্রণ দেয় যা আপনি প্রিয়জনের সাথে ভাগ করছেন।

খবর

মাই স্পোর্টস আপনাকে সহজেই আপনার প্রিয় দল এবং লিগগুলি অনুসরণ করতে এবং নিউজ অ্যাপে হাইলাইটগুলি দেখতে সক্ষম করে। আপনার আজকের ফিডের শীর্ষের কাছাকাছি একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ জায়গায় আপনি সবচেয়ে বেশি পড়েন এমন চ্যানেল এবং বিষয়গুলিতে প্রিয়গুলি আপনাকে সহজে অ্যাক্সেস দেয়। নতুন হোম পেজগুলি স্থানীয় সংবাদ লোকেল, স্পোর্টস টিম এবং লিগ এবং আরও অনেক কিছুর জন্য দৃশ্যত আপডেট এবং সহজে নেভিগেট বিষয় ফিড সরবরাহ করে।

ফ্যামিলি শেয়ারিং

উন্নত শিশু অ্যাকাউন্ট সেটআপ বয়স-উপযুক্ত মিডিয়া সীমাবদ্ধতা সহ সঠিক অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণ সহ একটি শিশুর জন্য একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করা সহজ করে তোলে। একটি শিশুর জন্য ডিভাইস সেটআপ আপনাকে আপনার নির্বাচিত অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণের সাথে আপনার সন্তানের জন্য সহজে একটি নতুন iOS বা iPadOS ডিভাইস সেট আপ করতে দ্রুত স্টার্ট ব্যবহার করতে দেয়। বার্তাগুলিতে স্ক্রীন টাইম অনুরোধগুলি আপনার সন্তানের অনুরোধগুলি অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করা আরও সহজ করে তোলে। ফ্যামিলি চেকলিস্ট আপনাকে টিপস এবং পরামর্শ দেয় যেমন একটি শিশুর অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণ সেটিংস আপডেট করা, অবস্থান ভাগ করে নেওয়ার চালু করা বা আপনার iCloud+ সদস্যতা সবার সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে মনে করিয়ে দেওয়া।

নিরাপত্তা পরীক্ষা

নিরাপত্তা পরীক্ষা হল সেটিংসের একটি নতুন বিভাগ যা লোকেদের গার্হস্থ্য বা অন্তরঙ্গ অংশীদার সহিংসতার পরিস্থিতিতে সাহায্য করার জন্য তারা অন্যদের দেওয়া অ্যাক্সেস দ্রুত রিসেট করে। ইমার্জেন্সি রিসেট আপনাকে ফান্ড মাই এর মাধ্যমে লোকেশন শেয়ারিং অক্ষম করা, অ্যাপগুলির জন্য গোপনীয়তা অনুমতি রিসেট করা এবং আরও অনেক কিছু সহ সমস্ত লোক এবং অ্যাপ জুড়ে অ্যাক্সেস রিসেট করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে দেয়। আপনাকে পর্যালোচনা এবং কাস্টমাইজ করতে সাহায্য করে। কোন অ্যাপ এবং লোকেরা আপনার তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে৷

অ্যাক্সেসযোগ্যতা

ম্যাগনিফায়ারে দরজা সনাক্তকরণ একটি দরজা সনাক্ত করে, এটির চারপাশে চিহ্ন এবং চিহ্নগুলি পড়ে এবং কীভাবে দরজা খুলতে হয় তার নির্দেশনা দেয়। অ্যাপল ওয়াচ মিররিং আইফোন থেকে অ্যাপল ওয়াচের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে এবং আপনার অ্যাপল ওয়াচ থেকে সর্বাধিক সুবিধা পেতে আইফোনে সুইচ কন্ট্রোল, ভয়েস কন্ট্রোল বা অন্য কোনো সহায়ক বৈশিষ্ট্যের ব্যবহার সমর্থন করে। বাডি কন্ট্রোলার একাধিক গেম কন্ট্রোলার থেকে ইনপুট একত্রিত করে একটি গেম খেলার সময় জ্ঞানীয় অক্ষমতাযুক্ত ব্যবহারকারীদের একজন কেয়ারার বা বন্ধুর কাছ থেকে সমর্থন পেতে সহায়তা করে। ভয়েসওভার এখন বাংলা (ভারত), বুলগেরিয়ান, কাতালান, ইউক্রেনীয় এবং ভিয়েতনামি সহ 20 টিরও বেশি নতুন ভাষা এবং লোকেলে উপলব্ধ।

এই রিলিজে অন্যান্য বৈশিষ্ট্য এবং উন্নতিও রয়েছে:

ফিটনেস অ্যাপ আপনাকে আপনার ফিটনেস লক্ষ্যগুলি ট্র্যাক করতে এবং পূরণ করতে দেয়। এমনকি যদি আপনার কাছে অ্যাপল ওয়াচ নাও থাকে, আইফোন মোশন সেন্সর ব্যবহার করে আপনার প্রতিদিনের মুভ লক্ষ্যে অবদান রাখতে আপনার ক্যালোরির একটি অনুমান দিতে পারে।

এয়ারপডস প্রো (২য় প্রজন্ম) সমর্থন

ব্যক্তিগতকৃত স্থানিক অডিও আইফোনে TrueDepth ক্যামেরা ব্যবহার করে স্থানিক অডিওর জন্য একটি ব্যক্তিগত প্রোফাইল তৈরি করে। যা AirPods (3য় প্রজন্ম), AirPods Pro (1st এবং 2nd জেনারেশন) এবং AirPods Max-এ আরও সুনির্দিষ্ট এবং নিমগ্ন শোনার অভিজ্ঞতা প্রদান করে। ফেসটাইমে হ্যান্ডঅফ আপনাকে আপনার আইফোন থেকে আপনার আইপ্যাড বা ম্যাকে এবং এর বিপরীতে ফেসটাইম কলগুলিকে নির্বিঘ্নে সরাতে দেয়। মেমোজি আপডেটে আরও স্টিকার পোজ, হেয়ারস্টাইল, হেডগিয়ার, নাক এবং ঠোঁটের রং অন্তর্ভুক্ত। কুইক নোট আপনার আইফোনের যেকোনো অ্যাপে একটি নোট নেওয়ার জন্য এবং প্রসঙ্গ তৈরি করতে এবং সহজেই সামগ্রী খুঁজে পেতে লিঙ্ক যোগ করার জন্য সমর্থন যোগ করে।

ফটোতে ডুপ্লিকেট সনাক্তকরণ ডুপ্লিকেট ফটো সনাক্ত করে যাতে আপনি দ্রুত আপনার লাইব্রেরি পরিষ্কার করতে পারেন। ক্যামেরায় পোর্ট্রেট ফটোগুলির জন্য ফোরগ্রাউন্ড ব্লার আরও বাস্তবসম্মত-দেখতে গভীরতা-অফ-ক্ষেত্র প্রভাবের জন্য ফোরগ্রাউন্ডে বস্তুগুলিকে ঝাপসা করে। অনুস্মারকগুলিতে পিন করা তালিকাগুলি আপনাকে দ্রুত আপনার পছন্দের তালিকাগুলিতে নেভিগেট করতে সহায়তা করে৷ হোম স্ক্রিনে অনুসন্ধান স্পটলাইটকে হোম স্ক্রিনের নীচে থেকে সরাসরি অ্যাক্সেস করতে সক্ষম করে। এটিকে অ্যাপগুলি খোলা, পরিচিতিগুলি খুঁজে পাওয়া বা ওয়েব থেকে তথ্য পেতে সহজ করে তোলে। বার্তা পাঠানোর সময় নিশ্চিতকরণ ধাপ এড়িয়ে যেতে CarPlay-এ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বার্তা পাঠান। র‌্যাপিড সিকিউরিটি রেসপন্স আপনার ডিভাইসে আরও দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা উন্নতি লাভ করে, কারণ সেগুলি স্ট্যান্ডার্ড সফ্টওয়্যার আপডেটের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ার অজানা রহস্য জেনে নিন

সোশ্যাল মিডিয়ার অজানা রহস্য জেনে নিন

বর্তমান আধুনিক টেকনোলজির যুগে চাইলেও কেউ ঘরে একাকী জীবন কাটাতে পারবে না। যদি কেউ ঘরে বন্দী জীবন কাটায় মনে রাখবেন তবে কিন্তু সে কখনোই একা নয়। তার সাথে এমন এক শক্তিশালী জিনিস রয়েছে যেটি তার খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে ঘুমের ক্ষেত্রেই নজর রাখছে। এই জিনিসটি সেই ব্যক্তিকে দিয়ে নানান ধরনের কাজ করিয়ে নিচ্ছে। শুনলে অবাক হয়ে যাবেন! অদৃশ্য শক্তির কিন্তু নিজে থেকে নিয়ে এসেছে। এমন জিনিস সেটা আর কিছু নয় বর্তমান টেকনোলজি যুগের স্মার্টফোন। বর্তমান যুগের সময় কাটানোর জন্য এটি একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমান যুগে এমন একজনকে খুঁজে পাবেন না যে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। যে কোন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর ফোনে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব কোনো না কোনো সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে। এই সোশ্যাল মিডিয়া গুলো কত শক্তিশালী হয়ে গেছে সেটা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। কিছুদিন আগেও এই সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপস গুলো তৈরি করা হয়েছিল স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে। কিন্তু বর্তমান যুগে স্মার্টফোনগুলোর তৈরি করা হয় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপস গুলো ব্যবহারের সুবিধার জন্য দিন যত বাড়ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ার অজানা রহস্য জেনে নিন

সোশ্যাল মিডিয়ার কি অদ্ভুত শক্তি আরো বেশী শক্তিশালী করছে। আর কতটা শক্তিশালী সেটা বুঝতে পারবেন যখন বলব বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপস টুইটারের মাধ্যমে জনসাধারণের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। এতদিন পর্যন্ত সাধারণ লোকজন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সাহায্যে আমরা নানান ধরনের ইনফরমেশন অর্জন করতে পেরেছি। যদি এই সোশ্যাল মিডিয়ার সত্তিকারের যে উদ্দেশ্য সেই কালো পর্দার মুখোশ খুলে দেই!! তাহলে আপনার গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যাবে। আমরা সাধারন মানুষ প্রত্যেকদিন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নির্দিষ্ট নামে চিনে থাকি। কিন্তু আপনি জানেন কি অ্যাপ্লিকেশনগুলো কিন্তু আপনাকে আপনার নামে নয় বরং একটি ইউনিক নাম্বারের মাধ্যমে চেনেন!! সেগুলোর জন্য প্রত্যেকটি মানুষের পরিচয় হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট নাম্বার। এটাকে আইডি নাম্বার বলতে পারি। যেমন ধরুন জেলখানা একজন কয়টি একটি নির্দিষ্ট নাম্বারে চিহ্নিত করা যায়। সোশ্যাল মিডিয়া ও কিন্তু এইরকম এখানে ব্যবহারকারীদের মত একটি নির্দিষ্ট নাম্বারের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়।

আপনি এটা শুনে হয়তো বিশ্বাস করতে চাইবেন না! একজন মানুষ নিজেকে যতোটুকু বুঝতে পারি বা আইডেন্টিফাই করতে পারি। সোশ্যাল মিডিয়ার থেকে শতগুণ বেশি আপনাকে বুঝতে পারি। একবার ভেবে দেখুন তো এই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা হয়েছে ব্যবহারকারী কোন অর্থের প্রয়োজন হচ্ছে না। ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তারা মুনাফা করতে পারবে।আসলেই কি কোম্পানির লাভবান হচ্ছে না? কিভাবে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর ডাটা সংরক্ষণ করছে? তারা ডাটা গুলো সংরক্ষন করে কিভাবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মুনাফা অর্জন করছে? কিভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার অন্তরালে একটি নির্দিষ্ট মানুষের ইমোশন গুলোতে ব্যবহার করছি আর এটা কিভাবে এতটা নিয়ন্ত্রনহীন ইঞ্জিনিয়াররা তৈরি করেছিল। এখন এটাকে কন্ট্রোল করতে পারছে না। আপনি নিশ্চিত প্রমাণ পেয়ে যাবেন আর বুঝতে পারবেন সোশ্যাল মিডিয়া গুলো আপনার কাছ থেকে কি কি কেড়ে নিচ্ছে। প্রথমে আমরা জানবো সোশ্যাল মিডিয়া গুলো কিভাবে সৃষ্টি করে? এই কোম্পানিগুলোর এমন কিছু মানুষ নিয়ন্ত্রণ করছে যারা মানুষজনকে নিজেদের দিকে আরেকজন দিতে সর্বোপরি কাজ করে যাচ্ছে।

ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ হচ্ছে মানুষের চিন্তাশক্তির বিপরীতে অ্যাপসগুলোকে এমনভাবে ডিজাইন করা যেটা একবার ব্যবহার করার পরে মানুষই তার প্রতি আসক্ত হয়ে যাবে। তাদের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে যেভাবেই হোক ব্যবহারকারী যেন কোনোভাবেই এই অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা বন্ধ না করে। সাধারণত মানুষের সহজাত বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কেউ তার প্রশংসা করবে। সেটা তাদের কাছে ভালো লাগবে আর এই সুযোগ নিয়েছেন এই সোশ্যাল মিডিয়ার লোকগুলো। বিভিন্ন অপশন গুলো কে অ্যাড করেছে। যখনই আমরা কোন ছবি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ্লিকেশনের আপলোড করছি কিছুক্ষন পর পরই কিন্তু আমরা কমেন্ট দেখার জন্য অ্যাপ্লিকেশন চালু করছি। কারণ আমাদের মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বারবার আমাদেরকে মনে করিয়ে দিচ্ছে কেউ হয়তো আমার আপলোড করার ছবিতে প্রশংসা করছে। যদি আপনি সেটা নাও দেখে থাকে সে ক্ষেত্রে বারবার অ্যাপ্লিকেশনগুলো আপনাকে নোটিফিকেশন দিবে। কে আপনার ছবিতে লাইক করেছে, কমেন্ট করেছে তা দেখার জন্য। আপনি নিজেকে যখন ফোন থেকে দূরে থাকতে চাইছেন তখন শুধু বারবার আপনাকে যেকোন মূল্যেই নিজেকে উৎসাহিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে। 

একথা স্পষ্ট সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাপস গুলো আছে তাদের নিজস্ব প্লান মতাবেক চালিয়ে নিচ্ছে। যেমন আপনার পছন্দ অনুযায়ী ভিডিও ছবি আপনাকে দেখাচ্ছি। তাদের একটা ইন্তেনশন যেকোনো মূল্যে লাইক পাওয়ার জন্য এমন কাজ করতেও দ্বিধা বোধ করছি না। যেটা বাস্তব জীবনে আমাদের জন্য আপলোড করা অনেক কষ্টসাধ্য। এর কোনোটাই কিন্তু কাকতালীয় নয়। বরং বিদ্যুৎ লাইনের মাধ্যমে আমাদেরকে এগুলো পালন করছে এখন হয়তো আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে? যদি তাই হয় তাহলে তাতে সমস্যাটা কি? আমরা তো আমাদের সময়গুলোকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পার করছি!! আপনি ঠিকই বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়া গুলো আমাদের  সময়গুলোকে সুন্দরভাবে পার করিয়ে দিচ্ছে। সময় গুলোকে খুব সুন্দর ভাবে কাটাতে সাহায্য করছে কিন্তু শুনলে অবাক হয়ে যাবেন তাদের উদ্দেশ্যের কারণ শুনে। যখন আপনি বারবার তাদের অ্যাপসগুলোকে ভিজিট করবেন টাইমপাস করার জন্য  সেখানে তাদের কোনো না কোনো উদ্দেশ্য অবশ্যই থাকবে। আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য মস্তিষ্ক সেটার জন্য অস্থির হয়ে ওঠে কিন্তু পুনরায় ডোপামিন রিলিজ হওয়া ট্রিগার কিন্তু আপনার আমার হাতে নেই।

রোবট ইনসাইট করে ততোক্ষণে আপনার ছবি নিউজফিডে রাখবে। আপনার ছবি যতক্ষণ নিউজফিডে থাকবে ততক্ষণ আপনি লাইক কমেন্ট পেয়ে যাবেন। যখন আপনার ছবি নিউজ থেকে সরিয়ে নেয়া হবে পুনরায় দেখার জন্য আপনি আবার ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করবেন। আর এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমরা এমন একটি জেলখানায় বন্দি হয়ে গিয়েছি। এই কোম্পানিগুলো যা করাতে চাচ্ছে আমরা কিন্তু সেটাই করে যাচ্ছি। কোম্পানিগুলো উদ্দেশ্য আসলে কি হয়তো আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে? কোম্পানিগুলোর আমাদের সাথে কেন এমনটা করছে? এদের কি উদ্দেশ্য হাসিল হতে পারে? আপনি কোন প্রোডাক্ট কিনবেন কিন্তু তার তার দাম জানতে হবে না। আপনি শুধু সার্চ বারে গিয়ে সার্চ করলেই দেখবেন সেই সকল পণ্যের রিলেটিভ প্রাইস গুলো আপনাকে দেখাচ্ছে। আপনি নিজে এখানে প্রোডাক্ট মানে আপনাকে বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে। ধরুন আপনার বাসার পাশে কোন দোকানে অফার দেয়া হয়েছে। পণ্যটি হাতে পাওয়ার জন্য এই দোকানটিতে যাবেন আর আপনি যখন দোকানটিতে যাবে পাশাপাশি অন্য কিছু কিনে নিয়ে আসতে পারেন। 

আপনার আশে পাশের দোকানে যখন ফিরি পণ্য বিক্রি করা হয় তখন দেখবেন আপনার থেকে কোন না কোন কাজ তারা হাসিল করে নিচ্ছে। এছাড়াও আপনি যখন ফ্রী পূর্ণ কিনবেন সেই দোকান থেকে আপনার কোন কন্টাক্ট নাম্বার লিস্টে রেখে দেয়া হবে। আপনাকে কোন ফরম ফিলাপ করতে দেয়া হবে। ভেবে দেখুন ফ্রি পর্ন এর বিনিময়ে আপনার কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে নিলো। ঠিক এমনটাই হয়ে থাকি সোশ্যাল মিডিয়ার প্লাটফর্ম। আমাদের কাছ থেকে সব ধরনের ডেটা সংগ্রহ করে। এন্টারটেইনমেন্টের নামে করছে কোম্পানিগুলো ব্যবহারকারীর নাম, লোকেশন, সেল ফোন নাম্বার এমনকি কি কি বিষয়ে আগ্রহী যে সেটাও জেনে নেয়া হচ্ছে। আমরা কোথায় যাচ্ছি? কার সাথে যাচ্ছি? কোন রেস্টুরেন্টে খাচ্ছি? কোথায় শপিং করছি? কোন ধরনের মুভি দেখছি? এই সকল ধরনের ডেটা সংগ্রহ করে সেই অনুযায়ী আমাদের বিজ্ঞাপন দেখানো শুরু করে দেয়। বিশেষজ্ঞরা কয়েক বছর যাবৎ ভিন্ন ভিন্ন কিছু রিয়েলাইজ করেছেন যার নাম দেয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া ডিপ্রেশন। সর্বশেষে বলতে চাই, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে যতদূর সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করুন কারণ তারা আপনার সকল ধরনের অ্যাক্টিভিটি লক্ষ্য করে।

চেঙ্গিস খানের অজানা ইতিহাস জেনে নিন

চেঙ্গিস খানের অজানা ইতিহাস জেনে নিন

যিনি পৃথিবীর তিনভাগের একভাগ একাই দখল করে চার কোটি মানুষের হত্যা করেছিল তিনি হলেন চেঙ্গিস খান। এই চেঙ্গিস খান মঙ্গোলিয়া থেকে ইউরোপ পর্যন্ত সব লোকদের গোলাম বানিয়ে রেখেছিলেন। আজ আমরা ইতিহাসের চেঙ্গিস খানের জীবনকাহিনী ভালো করে বুঝবো। তার নেওয়া প্রত্যেকটি নির্ণয়ের কারণ জানবো। চেঙ্গিস খান পৃথিবীর মানচিত্র বদলে দিয়েছিলেন। তিনি না থাকলে হয়তো পৃথিবী অন্যরকম হতো। তিনি পৃথিবীর জন্য মানুষের জীবন নিয়েছে তার কোন হিসেব নেই। তিনি মানুষের বলি দেননি বরং মনুষ্যত্বের বলে দিয়েছিলেন। তিনি প্রথম হত্যা করেছিলেন নিজের বারো-তেরো বছর বয়সে। আপনারা জানলে অবাক হবেন নিজের ভাইকেই মেরে ফেলেছিলেন চেঙ্গিস খান। নিজের পরিবারের একজন কে হত্যা করেন চেঙ্গিস খান। তাও আবার খাদ্যের জন্য। ভাবতে কেমন অবাক লাগছে তাইনা? খাবারের জন্য নিজের ভাইকে মেরে ফেলে চেঙ্গিস খান। তবে এমন কি হয়েছিল চেঙ্গিস খানের সাথে? কি এমন সহ্য করতে হয় চেঙ্গিস খানকে? যার ফলে তার হৃদয় পাথরের মত হয়ে যায়? 1162 সালে কোন নদীর পাড়ে গোষ্ঠীর লিডারের ঘরে জন্ম নেন। তার আসল নাম ছিল তেমুজিন। তিমুজিনের নয় বছর বয়সে তার বাবা তার বিয়ে ঠিক করে। তার বাবা বিয়ে ঠিক করবার পর বাড়ি ফিরছিলেন এমন সময় শত্রু কাবিল বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেন তার বাবাকে।

চেঙ্গিস খানের অজানা ইতিহাস জেনে নিন

এই দুর্ঘটনা তেমুজিন এর পুরো জীবনটাকে বদলে দেয় এবং এই ঘটনার পর তার মা বিধবা হয়ে যায়। তার ছয় ভাই বোন অনাথ হয়ে যায়। আর এতদিন যে গোষ্ঠী তাদের মানতো সেই গোষ্ঠী এখন তাদেরকে তাড়িয়ে দেয়। তাদেরকে মঙ্গোলিয়ার ঘন জঙ্গলের জীবজন্তুর মাঝে ছেড়ে দেয়। ন বছর বয়সে এটা বুঝে গিয়েছিল যে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য চাই শক্তি। তার মনে হয়েছিল যদি শক্তি না থাকে তাহলে তার সাথে কেউই থাকবেনা এবং পুরো পরিবার মঙ্গোলিয়ার জঙ্গলে জীবন যাপন করেছিল। জঙ্গলের ফলমূল মাছ ধরে ছোট-খাটো স্বীকার করে সবাই ভাগ করে খেত। এই কঠিন পরিস্থিতি তারা সবাই একসাথে থেকে পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে একে অপরের জন্য জীবন দিতে রাজি ছিল এবং একে অপরের জন্য জীবন দিতেও পারত। নিজের পরিবারের জন্য তারা সবকিছু করতে পারত। বড় ভাই নিজের স্বীকার করা খাবার কারো সাথে ভাগ করত না এবং পরিবারের স্বীকার করা খাবার চুরি করে খেয়ে নিত এবং বাকিদের কে নিজের বল দেখাতে চাই তো। এটাতে পছন্দ ছিল না। তিনি তাঁর পরিবারের জন্য 13 বছর বয়সে নিজের বড় ভাইকে হত্যা করে। একটি বাচ্চার যে তিন বছর বয়সী ঘোড়া চালানো শিখে ছিল। নয় বছর বয়সে নিজের বাবার মৃত্যু দেখেছিল। তার জন্য অর্থ হল হত্যা করা। তার কাছে সাধারণ জীবনযাপন এর অর্থ হল হত্যা করা। তার কাছে কাউকে বাঁচাতে হলে কারও মৃত্যু আবশ্যিক এইসব ঘটনা ছোটবেলা থেকেই মনুষ্যত্বের শত্রু এবং হিংসা করে তোলে।

চেঙ্গিস খান গোষ্ঠীর প্রত্যেক পুরুষ মহিলা এমনকি ছোট ছোট বাচ্চাদের অমানুষের মত মেরে ফেলে। কারণ তার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায়। আপনারা হয়তো অবাক হচ্ছেন তাইনা? যে মানুষটা প্রত্যেক মানুষের মধ্যে একজনের পূর্বপুরুষ। যে প্রত্যেকটি হেরে যাওয়া দেশের রানী এবং রাজকুমারীর সাথে বিয়ে করেছিল। শত শত বাচ্চা জন্ম দিয়েছিল। তিনি একটি স্ত্রীর কারনে এত মানুষের হত্যা করেছিলেন কেন? ইতিহাস অনুযায়ী চেঙ্গিস খানের প্রথম স্ত্রী ছিল। সেই মেয়ে যার সাথে তার বাবা তার বিয়ে ঠিক করে গিয়েছিল। এই কারণে তিনি তার প্রথম স্ত্রীকে গোষ্ঠীর কবল থেকে বাঁচানোর জন্য তার ছোটবেলার বন্ধুর সাহায্য নেয়। তিনি শুধুমাত্র চিপসের পুরুষদেরই 9-10 মহিলা ও বাচ্চাদের হত্যা করে। আর এখান থেকেই তার নাম পৃথিবীর সবথেকে রাগী শাসকদের লিস্টে চলে আসে। এরপর চেঙ্গিস নিজের প্রিয় বন্ধু কেউ হত্যা করে। কিন্তু নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু কে কেন হত্যা করে?   স্ত্রীকে কবল থেকে বাঁচিয়ে আনতে গিয়েছিলেন তখন তিনি তার বন্ধুর সাহস এবং ছন্দ দেখে অনেকেই তাঁকে নিজের লিডার মানতে শুরু করে। আর এই কারনেই সে তার বন্ধুকে মেরে ফেলে। সে যুদ্ধে সামু জিনের লোকেদের গরম তেলের মধ্যে ফেলে মারে। আর এর ফলস্বরূপ তেমুজিন ততদিন স্ত্রী হয়ে বসেনি। যতদিন এলাকাকে হত্যা করেছে অহিংসা চলতে থাকা অধিকার করার পর পরবর্তী শিকার চায়না কে বানায়।

চায়না মঙ্গোলিয়ার মানুষকে অনেক অত্যাচার করে। সেই বদলা নিতে চেঙ্গিস খান চায়নার অবস্থা খারাপ করে দিয়েছিল। 1210 সাল থেকে 1215 সাল এ সময় ইউরোপকে টার্গেট করে ফেলে এবং তাদের মধ্যে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়। এর মাঝে আসে কাসমিয়া এম্পায়ার আর চেঙ্গিস খানের সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট রাস্তার উপর দিয়েই রয়েছে। এই কারণে ওখানকার বন্ধু বানানোর জন্য 500 লোকের জন্য উপহার পাঠিয়েছিল। কিন্তু ওখানকার রাজা সবকিছু ছিনিয়ে নেয় এবং চেঙ্গিস খানকে উপহারের বদলে গুপ্তচর পাঠানোর দোষ দেয়। কিন্তু চেঙ্গিস খাঁ কেউ হার মানেনি। তিনি তার প্রিয় তিনটে দূতকে পাঠায় নিজের কথা বোঝানোর জন্য। তখন রেগে গিয়ে তিন জনকে পাঠিয়ে দেয় চেঙ্গিস খানের কাছে বার্তা পাঠানোর জন্য। এরপর চেঙ্গিস খাঁ রেগে যায় এবং চেঙ্গিস খান সাহেব পুরো রাজ্যকে শেষ করে দেয়। বাধা দেওয়ায় প্রত্যেক সাধারন মানুষের মৃত্যু হয়। আর সেই রাজা সেখান থেকে পালিয়ে যায় এবং কোন এক আইল্যান্ডে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। কিন্তু চেঙ্গিস খানের তখনই তিনি পুত্র জালাল উদ্দিনকে মারতে চায়। জালালউদ্দিন বাঁচার জন্য দিল্লির সুলতান ইলতুৎমিসের কাছে পৌঁছায়। কিন্তু ভয়ানক এবং নীরাজা চেঙ্গিস খানের নাম শুনে সুলতান ইলতুৎমিশ আলাউদ্দিনের কোন সাহায্য করেনি। নদীর কাছে জাল্লাউদ্দিন এর মৃত্যু হয়। চেঙ্গিস খানের এতকিছু করার কারণ এটাই ছিল যে সে পুরো পৃথিবীর কাছে একটাই বার্তা দিতে চেয়েছিল। তার সাথে যে শত্রুতা করবে তার পুরো বংশ শেষ হয়ে যাবে।

মিশরের পিরামিড সম্পর্কে অজানা ইতিহাস

মিশরের পিরামিড সম্পর্কে অজানা ইতিহাস

অতীতে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে পিরামিড তৈরি করা হয়েছে। তবে সাধারণত পিরামিড বললেই আমাদের কল্পনায় ভেসে ওঠে মিশরের পিরামিড। হাজার হাজার বছর ধরে মিশরের পিরামিডের ছিল মানুষের তৈরি সবচেয়ে বড় এবং বিস্ময়কর স্থাপনা। সকল ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেও বর্তমান যুগে এত বড় নির্মাণ এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পিরামিড সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। মিশরের রাজাদের উপাধি ছিল ফেরাউনের মৃত্যুর পর তাদের মৃতদেহ মমি পিরামিড এর ভেতর সমাহিত করা হতো। প্রত্যেক ফেরাউনের চেয়ে সেরা পিরামিড তৈরি করতে চাইত  মিশরীয় রাজাগণ। কারণ তারা মনে করত ফেরাউনের মৃত্যুর পর মৃতদেহ রাজা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের মতে, পিরামিড ফেরাউনদের পুনর্জন্মের প্রবেশদ্বার। এছাড়া ফেরাউনের মৃত্যুর পর তাদের দেহ সংরক্ষণ করা যাবে ততদিন তারা স্বর্গে সহবাস করবে বলে মনে করত। সে জন্যই হাজার হাজার বছর ফেরাউনদের মৃতদেহ সংরক্ষণ করার জন্য তারা এমন দুর্ভেদ্য চিন্তাভাবনা করত। পিরামিডের স্থায়িত্বের তুলনা করতে একটি আরবি প্রবাদ প্রচলিত আছে তা হলো মানুষকে ভয় পায় আর সময় ভয় পায়। ধারণা করা হয় পিরামিডের প্রথম প্রকৌশলী এবং স্থপতি হলো ইমহোতেপ। তিনি ছিলেন প্রথম পিরামিড নির্মাণকারী। ফেরাউনের মন্ত্রী চিকিৎসাশাস্ত্র এবং জ্যোতির্বিদ্যা পারদর্শী ছিলেন।

মিশরের পিরামিড সম্পর্কে অজানা ইতিহাস

মিশরীয়রা পরবর্তীতে তাকে ওষুধের দেবতা হিসেবে পূজা করেছে। মিশরীয় পিরামিড তৈরি করেছে তার অনেকগুলোই ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রথম দিকের পিরামিডগুলোর তুলনায় পরের দিকের পিরামিডগুলো বেশি টেকসই এবং সুরক্ষিত করে নির্মাণ করা হয়েছে। কারণ মিশরীয় সময়ের সাথে সাথে তাদের পিরামিড তৈরির শিল্পে দক্ষ হয়েছে। মিশরের ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় 100 টিরও বেশি পিরামিড রয়েছে। সবচেয়ে বিখ্যাত তিনটি পিরামিডের অবস্থান মালভূমিতে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় পিরামিড গিজার মহা পিরামিড বা খুফুর পিরামিড কি নামে পরিচিত। সবচেয়ে ছোট পিরামিড হল মেনকাপুর পিরামিড। গিজার গোরস্তানের তিনটি পিরামিডের মধ্যে সবচাইতে পুরাতন এবং বড়। এটি রাজাপুর নাতির সমাধি 4700 বছর আগে দ্যা গ্রেট পিরামিড নির্মিত হয়েছিল। সবচেয়ে বড় এই পিরামিড এর আয়তন 6fit যা কেবল ফুটবল মাঠের সমান। 1889 সালের আগ পর্যন্ত প্রায় 5000 বছর ধরে এই ছিল মানুষের তৈরি সবচেয়ে উঁচু স্থাপনা। তৈরি করতে 23 লক্ষ পাথরের ব্যবহার করা হয়েছে। এই ব্লকগুলো প্রায় 500 মাইল দূর থেকে নির্মাণ স্থলে বয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। কি করে 50 টন ওজনের প্রায় ত্রিশ লক্ষ তারা মরুভূমির ভেতর দিয়ে পরিবহন করে নিয়ে এসেছে তা সত্যিই এক বিস্ময়। 

পিরামিডগুলো বাইরে থেকে দেখতে নিরেট মনে হলেও এগুলো ভেতরে তেমন নয়। পিরামিডের ভেতরে বহু পথ এবং গোপণ কুঠুরি বা চেম্বার হয়েছে। পিরামিডের ভেতরে তিনটি চেম্বার আছে। সেগুলো হলো রানীর চেম্বার এবং রাজার চেম্বার। 300 ফুট দীর্ঘ তিন ফুট প্রস্থের নিরেট পাথর কেটে চেম্বারগুলোর প্রবেশ পথ তৈরি করা হয়েছে। স্বাধীনতাকামীদের কেন্দ্রীয় চেম্বারে ফারাওদের মৃতদেহ রাখা হয়। পিরামিডে বেশ কিছু গোপন পথ এবং সুরঙ্গ রয়েছে। যার রহস্য এখনো সমাধান করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হয়, গ্রেট পিরামিড নির্মাণ করতে 23 বছর সময় লেগেছিল। 20 থেকে 50 হাজার দক্ষ শ্রমিক কাজ করেছে। পিরামিডের বাইরের এক একটি পাথরের ব্লকের ন্যূনতম ওজন একটি প্রাইভেটকারে সমান। আর ভেতরের একটি ব্লকের ওজন 40 টি প্রাইভেট কার সমান ভারী পাথর দিয়ে নির্মাণ করার কারণে পিরামিডের ওজন অনেক বেশি। বর্তমান সময়ের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফার ওজনের প্রায় 12 গুণ। বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ক্রেন দিয়ে সর্বোচ্চ ওজন 100 মিটার পর্যন্ত তোলা যায় অথচ তারা এত ভারী পাথর প্রায় দেড়শ মিটার উচ্চতায় তুলে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে জোড়া দিয়েছে যা সত্যিই বিস্ময়কর। পিরামিডের বাইরের দেয়াল তৈরি করা হয়েছে চুনাপাথরের ব্লক দিয়ে। তার মূল্যবান গ্রানাইট পাথর দিয়ে ভেতরের চেম্বার তৈরি করা হয়েছে।

আধুনিক মেশিন দিয়ে পাথর কাটার প্রযুক্তির সাথে পিরামিডের পাথরকাটা অবিশ্বাস্য রকমের মিল রয়েছে। তবে বর্তমানকালের আধুনিক যন্ত্র দিয়েও এত সুন্দর আর নিখুঁতভাবে পাথরকাটা সম্ভব নয়। সময়ের সাথে সাথে তাদের পাথরকাটা প্রযুক্তি যত উন্নত হয়েছে। পিরামিডগুলো টেকসই হয়েছে পিরামিডের ভেতরের পাথরগুলো নিখুঁতভাবে কেটে একটির সাথে আরেকটি এমনভাবে জোড়া দেওয়া হয়েছে। পাথরের মাঝে এক ছিল ফাঁকা নেই ফলে হাজার হাজার বছর ধরে বাইরে থেকে কোন প্রাণী বা আর্দ্রতা পিরামিডের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। ভেতরে ব্যবহৃত গ্রানাইট পাথর গুলো আর্দ্রতা প্রতিরোধী। সে কারণে ফেরাউনের মমি এখানে সুদীর্ঘকাল অক্ষত রেখেছে। আধুনিককালের বিল্ডিং গুলোতে এডমিশন ব্যবহার করা হয়। তা কয়েক শ' বছরের বেশি স্থায়ী হয় না অথচ পিরামিডের পাথরগুলো জোড়া দিতে এমন বিশেষ ধরনের ব্যবহার করা হয়েছে যা 5000 বছর পরেও পাথরগুলোকে শক্ত করে ধরে রেখেছে। পিরামিডের আরো বিস্ময়কর ব্যাপার হলো এগুলো নক্ষত্রপুঞ্জের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্মাণ করা হয়েছে। ঊষা মেজর এবং নক্ষত্রমন্ডলের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা সাথে মিল রেখে পিরামিডগুলো উত্তর-দক্ষিণ বরাবর স্থাপন করা হয়েছে। তাদের উত্তর দক্ষিণ কোন পরিমাপ এতটাই নিখুঁত ছিল যে 0.05 ডিগ্রির ব্যবধান নির্ণয় করতে পারত।

পিরামিড নিয়ে সুদীর্ঘকাল গবেষণা করেও এর রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হয়নি। দ্বাদশ শতাব্দীতে সুলতান সালাউদ্দিন এর পুত্র সুলতান আল আজিজিয়া  মিশরের পিরামিড ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছিল। পাশে থাকা সবচেয়ে ছোট পিরামিড দিয়ে তিনি তার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন। কিন্তু বহু অর্থ খরচ করে এবং দীর্ঘ আট মাস কঠোর পরিশ্রম করেও সুলতানের কর্মীরা পিরামিডের খুব বেশি ক্ষতি করতে পারেনি। এরপর বাধ্য হয়েই উচ্ছেদ অভিযানে বন্ধ করে দেওয়া হয়। আসলে পিরামিড কে নিয়ে অনেক ধরনের জল্পনা-কল্পনা রয়েছে সকলের মাঝে। এ সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এখনো বিদ্যমান রয়েছে মিশরের পিরামিড।

সালমান শাহ হারানো 26 বছর

সালমান শাহ হারানো 26 বছর

একটা কথা মনে পড়ে গেল "সময় চলে যায় রেখে যায় স্মৃতি মানুষ মরে যায় রেখে যায় স্মৃতি"  মানুষের ভালোবাসা একসময় প্রিয়জনকেও মানুষ ভুলে যায়। কিন্তু আজ এমন একজনের কথা বলবো যে কিনা 26 বছর আগে মারা গেছে। তার পরেও উজ্জ্বল একজন সিনেমাপ্রেমীদের ভালোবাসার মানুষ হিসাবে এখনো বেঁচে আছে এই পৃথিবীতে। পৃথিবী বদলেছে, মানুষের রচিত এসেছে পরিবর্তন কিন্তু সালমান এমন একটি নাম যে নাম এখনও বাংলাদেশের চলচ্চিত্র রয়ে গেছে। আমি বলছি চলচ্চিত্র প্রেমীদের স্বপ্নের নায়ক সালমানশার কথা। সেপ্টেম্বর 6, 1996 সালের আজকের এই দিনে রহস্যমৃত্যুতে না ফেরার দেশে চলে যান। 1985 সালের দিকে অভিনয়ে আসেন সালমান শাহ। হানিফ সংকেতের কথার কথা ম্যাগাজিনের একটি গানে দেখা যায় তাকে।তারপর প্রথম নাটকে অভিনয় করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত আকাশছোঁয়া পরে একাধিক নাটক ধারাবাহিকে অভিনয় করেন 1993 সালে। পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান এর হাত ধরে বড় পর্দায় আগমন ঘটে সালমান শাহ। পুরো নাম শাহরিয়ার চৌধুরী হলেও সালমান শাহ নামেই তিনি ব্যাপক পরিচিত। তিনি প্রথম 1992 সালের জুলাইয়ে সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছেন। সিনেমাটি পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান বললেন নামটা বদলাতে হবে। ঢাকায় নামটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ  নামের ক্ষেত্রে সিনেমা জগতে একটি বিশেষ সাড়া ফেলে।

সালমান শাহ হারানো 26 বছর

 সালমান শাহ প্রথম সিনেমার মধ্য দিয়ে বিশেষভাবে সাড়া ফেলে চলচ্চিত্র জগতে। 1993 সালের 10 মার্চ মুক্তি পায় রহমান সোহান পরিচালিত কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমাটি। জানা যায় সালমান শাহ মৃত্যুর আগে, তার সঙ্গে তার বাবা দেখা করতে যান। কিন্তু তার বাবাকে তাদের বাসায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না। দাড়োয়ান গেট এ তার বাবাকে আটকে দেয় এবং বলে ম্যাডামের অনুমতি ছাড়া রুমে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। তার বাবা একরকম জোর করেই উপরে যান। সালমানের বাবা কলিং বেল দেয়ার পর দরজা খুলেন সামিরা। একটা কথা বলে দেই সালমানের বাবার নাম ছিল কমর উদ্দিন চৌধুরী। ছেলের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে সামিরা জানান সালমান ঘুমে। তারপর প্রায় দেড় ঘণ্টা বসেছিলেন কমরউদ্দিন। শোনা যায় সালমানশাকে দেখতে হলে তখনই যেতে হবে। ফোন পেয়ে নীলা চৌধুরী সালমানের বাসায় গিয়ে দেখেন সালমান বিছানার উপর। দেখলেন সালমানের পায়ের নখ। পরামর্শ করে দ্রুত হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেয়া হলে সালমানশাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে বলা হয় সালমান শাহ হত্যা করেছে। কিন্তু পরিবারের দাবী হত্যা করা হয়েছে। সালমানশার আকস্মিক মৃত্যুতে স্বাধীন পুরো দেশ স্তম্ভিত হয়ে যায়। তার মৃত্যুর খবর মেনে নিতে পারেননি অনেক ভক্ত।

সারা দেশে বেশ কয়েকজন তরুণী আত্মহত্যা করেছে বলেও খবর আসে সংবাদমাধ্যমে। ভক্তদের মাঝে তৈরি হয় নানা প্রশ্ন। সৃষ্টি হয় সালমান সাহার মৃত্যুতে অভাবনীয় ক্ষতির মুখে পড়ে ঢাকায় সিনেমা। অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে উঠেপড়ে লাগেন প্রযোজক-পরিচালকরা। সালমানশার অসমাপ্ত সিনেমাগুলোতে বিনা পারিশ্রমিকে এ কাজের ঘোষণা দিয়েছিলেন আমিন খান। সালমানের মতো দেখতে তরুণের খোঁজ করা হয়। পুরান ঢাকার একটি ছেলেকে পাওয়া যায় তার চুলের স্টাইল পেছন থেকে সালমানশার মত ক্যামেরা তুমি তাকে দিয়ে শেষ করা হয়। সিনেমাগুলি অভিনয় দক্ষতায় ও ফ্যাশন সচেতনতা এ যুগের চেয়ে গিয়েছিলেন সালমান শাহ। এর প্রজন্মের তারকাদের কাছেও তিনি প্রিয় একটি নাম কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমা সালমান শাহ এর ডায়লগ ডেলিভারি অভিনয় দক্ষতা সবকিছুতে দর্শকের হৃদয়ে গেঁথে যায়। তার অভিনয়ের ভিন্নধারা খুঁজে পেয়েছিলেন নির্মাতা। অল্প সময়ের জন্য রোমান্টিক হিরো পেয়েছিলেন সালমান শাহকে। অসংখ্য ভক্তের প্রিয় নায়ক সালমান শাহ নেই। আছে তার কাজ। তার অভিনীত সিনেমা সহকর্মী আর প্রিয় ইন্ডাস্ট্রি সালমান শাহকে স্মরণীয় করে রাখার উদ্যোগ নেয়া আজ সময়ের দাবি। সালমানভক্তদের দীর্ঘদিনের চাওয়া, তাকে স্মরণীয় করে রাখা হোক। এফডিসিতে যেমনি করে রাখা হয়েছে জহির রায়হান, জসিম এবং নায়ক মান্নাকে।

ত্বকের উজ্জলতা ও গ্লো বাড়াতে কি ধরনের খাবার খাবেন?

ত্বকের উজ্জলতা ও গ্লো বাড়াতে কি ধরনের খাবার খাবেন?

আজকে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করব ত্বক সুন্দর রাখতে চাইলে কিংবা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে চাইলে কোন ধরনের খাবার খাবেন? আসলে আমরা সবাই কিন্তু চাই একটু সুন্দর থাকতে।আর সুন্দর থাকতে গেলে আমরা যদি রূপচর্চা করেও থাকি তার চেয়ে জরুরী হল ভেতর থেকে আমাদের ত্বক সুন্দর করা বা ত্বকের লাবণ্য বাড়ানো। আপনার ত্বকের যখন লাবণ্য বেড়ে যাবে তখনই কিন্তু দেখা যায় আপনাকে দেখতে অনেক সুন্দর লাগবে। আপনি খুব সহজেই কিন্তু ত্বকের যত্ন নিতে পারেন।  ত্বক ধরে রাখা মানেই কিন্তু বয়স ধরে রাখা। আর ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কোন ধরনের খাবারগুলো খাবেন  সে সম্পর্কে আমাদেরকে ভালোভাবে জানতে হবে।শুরুতে আমি বলি আপনাকে কিছু খাবার নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিব। খাবার তালিকায় অনেক কিছুই কিন্তু ডিপেন্ড করে থাকে। যেগুলো আপনার সহজেই স্কিন সুন্দর রাখতে পারেন। প্রথমে যে খাবারের কথা বলব সেটা হলো এই সিজনে খুবই পাওয়া যায় সেটা হল গাজর। গাজন কিন্তু প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন আছে।এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি এবং তার পাশাপাশি প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। যেটা খুব সহজে ভেতর থেকে সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে।

ত্বকের উজ্জলতা ও গ্লো বাড়াতে কি ধরনের খাবার খাবেন

আপনি প্রতিদিন সালাত হিসেবে গাজর খেতে পারেন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি সকালের নাস্তায় আপনি একটা গাজরের জুস করে খেয়ে ফেলেন তাহলে কিন্তু দেখা যাবে স্কিন টা অনেক সুন্দর থাকবেন। এরপর যে খাবারের কথা বলব তা হল টমেটো। টমেটোতে কিন্তু প্রচুর ভিটামিন সি থাকে এবং আমরা জানি ভিটামিন-সি কিন্তু আমাদের স্কিনের কোলাজেন তৈরি করতে সাহায্য করে। কোলাজেনের কারণে আমরা কিন্তু বয়স টাকে খুব সুন্দর ভাবে ধরে রাখতে পারি।টমেটোতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও লাইকোপেন রয়েছে সেটা কিন্তু আমাদের স্কিনের জন্য অনেক উপকারী। তাই আমাদের উচিত রেগুলার রুটিন টমেটো এবং ভিটামিন সি জাতীয় খাবার গুলো তালিকাভুক্ত করা। অনেক বেশি আপনি চেষ্টা করুন প্রতিদিন দুপুর বেলা, রাতের বেলা সালাত হিসেবে টমেটো খাওয়ার জন্য। এরপর সকালে কিংবা বিকেলের আমরা কিন্তু গ্রিন টি রাখতে পারি। এটি কিন্তু অনেকেই পছন্দ করে থাকে।  এই গ্রিন টিতে কিন্তু প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। আপনি চাইলে প্রতিদিন একটি পথের ভিতরে গ্রিন টি রেখে দিতে পারেন। যেটা আপনার ত্বককে সুন্দর এবং মসৃণ রাখতে সহযোগিতা করবে।

এছাড়াও আমরা খাবার তালিকায় রাখতে পারি 2 চা চামচ লেবুর রস কিংবা আদার রস। এছাড়াও খাবার তালিকায় যোগ করতে পারেন সবুজ শাকসবজি। পালং শাকের কথা না বললেই নয়। কেননা পালংশাকে কিন্তু প্রচুর ভিটামিন এবং মিনারেলস রয়েছে। এটি কিন্তু স্কিন সুন্দরের জন্য খুব উপকারী  খাবার হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন। আরেকটা যে খাদ্য উপাদানের কথা বলব সেটা কিন্তু আমাদের স্কিনের জন্য অনেক উপকারী এবং স্কিনের বাড়াতে সাহায্য করে যার মধ্যে হলো অনেক উপকারী একটা খাবার। আপনি কিন্তু চাইলে রাতের বেলা ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খেয়ে নিতে পারেন।সেটা কিন্তু আপনার ত্বক সুন্দর রাখার জন্য অনেক ভালো কাজ করবে। এছাড়াও কিন্তু কাঁচা হলুদ ফুটিয়ে নিয়ে তাতে 200 থেকে 300  গ্রাম পরিমাণ জাফরান যোগ করে খেতে পারেন। এটা ভেতর থেকে আপনার স্কিন তাকে সুন্দর করবে এবং স্কিন টাইট করে। আমাদের অনেকের স্ক্রিনে দেখা যায় অনেক কালো ছোপ ছোপ দাগ থাকে। যেটা কিন্তু এই কাঁচা হলুদ দুধের মাধ্যমে আমরা সহজে দূর করতে পারে।

এছাড়াও কিন্ত অনেকসময় দেখা যায় সারাদিন আমরা অনেক কাজের প্রেসারে থাকে স্কিনের উপর একটা চাপ পড়ে। সেটাও কিন্তু এই কাঁচা হলুদ দূর করতে পারে। এরমধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। আপনি কিন্তু প্রতিদিনের খাবার তালিকায় লেবু রাখতে পারেন। খাবারের সাথে সালাত হিসেবে রাখতে পারেন অথবা কিন্তু লেবুর রস কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন। এতেও কিন্তু আপনার স্ক্রিনে অনেক সুন্দর হবে এবং স্কিনে যে পোড়া দাগ থাকে আমাদের রোদে গেলে দেখা যে সানবার্ন হয়। সেটাও কিন্তু দূর করতে সাহায্য করে। রসুন খেতে পারেন। রসুনে যে উচ্চমাত্রার সালফার রয়েছে সেটাও কিন্তু আপনার স্কিনের জন্য অনেক ভালো। এক কোয়া কাঁচা রসুন সকাল বেলা খালি পেটে খেতে পারেন এতে কিন্তু আপনার স্কিনের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবেন। সবশেষে বলব সঠিকভাবে খাবারগুলো খাবেন এবং একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। কিভাবে আপনার স্কিন আরো সুন্দর করা যায় তার জন্য একজন ডাক্তার ভালো পরামর্শ আপনাকে অবশ্যই দিবে।

ভুঁড়ি বা মেদ কমানোর জন্য করণীয়

ভুঁড়ি বা মেদ কমানোর জন্য করণীয়

কিভাবে ঘরোয়া উপায় আমরা আমাদের পেটের মেদ বা ভুঁড়ি যেটাকে বলে থাকে সেটা কমাবো? পেটের মেদ বা চর্বি বা মেদ ভুঁড়ি বলে থাকি সেটা কিন্তু আমাদের কারোই কাম্য নয়। আমরা সবাই কিন্তু কম বেশি মোটা হয়ে থাকি। এই মোটা হওয়া অনেকটা যন্ত্রণাদায়ক বলে অনেকে মনে করেন। পেটের মেদ যেমন সৌন্দর্যবর্ধনে করে না পাশাপাশি দেখা যায় বিভিন্ন রোগের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে থাকে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগের এটি একটি মহা সমস্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এজন্য আমাদেরকে প্রথমেই যেটা করতে হবে আমাদেরকে  মোটা হওয়া থেকে সতর্ক এবং কি কারনে এই বুড়িকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সেগুলো আমাদের অবশ্যই জানতে হবে। অনেক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রাতের খাবার সঠিক সময়ে না খেলে এবং খাবার খেয়েই শুয়ে পড়া এ রোগের প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া অতিরিক্ত খাবার যেকোনো এক বেলায় পরিমাণের তুলনায় বেশি খাওয়া। যখন আমরা প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত খাবার একসঙ্গে খাই সেটা কিন্তু আমাদের পেটের মেদ জমা হয়। যার ফলে দেখা যায় পেটের মেদ টা বাড়িয়ে দেয়।

ভুঁড়ি বা মেদ কমানোর জন্য করণীয়

এছাড়া অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, তেল জাতীয় খাবার, মসলাজাতীয়, ফাস্টফুড খাবার, মিষ্টি জাতীয় খাবার খাদ্য তালিকায় অনেক বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে থাকেন  তাদের জন্য মেদ বাড়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। এছাড়া যারা অ্যালকোহল গ্রহণ করে থাকেন তাদের ক্ষেত্রেও পেটের মধ্যে অনেক বেশি  সমস্যা সৃষ্টি হয়ে থাকে এবং মেদ বেড়ে যায়। অনেক সময় দেখা যায় যে, আপনার দৈনন্দিন রুটিন এর কোন এক্সারসাইজ বা হাটাহাটির না করা, আপনার বসার পজিশন ঠিক না  এরকম কারণেও কিন্তু মেদ জমতে পারে।  আমরা যদি সঠিক সময়ে শরীরের যত্ন না নেই তাহলে কিন্তু অবশ্যই আমাদের মেদ বেড়ে যাবে। যেটি অনেকটাই অস্বস্তির কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও অতিরিক্ত মেদ হলে যে কোন কাজ করার ক্ষমতা অনেকটাই কমে যায় এবং শরীর ভার বেশি হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই আমাদেরকে অবশ্যই উচিত এই বিষয়ে সচেতন হওয়া।

আসুন আমরা জেনে নেই কিভাবে আমরা ঘরোয়া উপায়ে আমাদের পেটের মেদ ঝরিয়ে ফেলতে পারব? সে ক্ষেত্রে প্রথমেই যেটা করতে হবে যে অতিরিক্ত খাবার একসঙ্গে না খেয়ে আপনাকে অল্প অল্প করে পাঁচ থেকে ছয় ভাবে খাবারটা খেয়ে নিতে পারেন। অতিরিক্ত খাবার একসঙ্গে না খেয়ে অবশ্যই আমাদেরকে খাবার ভাগ করে নিতে হবে। এরপরে হচ্ছে রাতের খাবার অবশ্যই  সময় মতো খাবেন বিশেষ করে  সাতটা থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে খেয়ে ফেলতে এবং অবশেষে হালকা খাবার হতে হবে। ভারী খাবার না খেয়ে আমাদেরকে উচিত নরম জাতীয় খাবার খাওয়া। এরপরে যদি আসে আপনার বসার পজিশন তাহলে বলব আপনি সবসময় চেষ্টা করবেন সঠিক পজিশনে  বসতে।  অনেকেই দেখা যায় অফিসে বসে কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা দেখা যায় অনেক বেশি। যারা অফিসে বসে কাজ করেন তারা অবশ্যই চেয়ারটি 90 ডিগ্রী অ্যাঙ্গেলে বসে কাজ করার চেষ্টা করবেন। কেননা নব্বই ডিগ্রি এংগেল আপনাকে ভুড়ি কমাতে সহযোগিতা করবে এবং আপনার মেরুদন্ড সোজা হয়ে রাখতে ভালো ব্যবস্থা নেবে। সে ক্ষেত্রে আপনি চাইলে প্রতি 1 ঘণ্টা পরপর 5 থেকে 6 মিনিট একটু হালকা হাটাহাটি পড়বেন।

তারপর খাবার খেয়ে অনেক বেশি পানি খেয়ে ফেলা বা দেখা যায় খাবারে মাঝখানে অতিরিক্ত পানি খেতে থাকে এই জিনিসগুলো অবশ্যই পরিহার করতে হবে। পেটের মেদ কমাতে সেক্ষেত্রে অবশ্যই পড়বেন 30 মিনিট পর পানি গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া খাদ্য তালিকা থেকে অতিরিক্ত তেল যুক্ত খাবার বর্জন করতে হবে। আপনাদেরকে চেষ্টা করতে হবে দৈনিন্দন খাদ্য সুষম জাতীয় খাবার গ্রহণ করা এবং শাকসবজি খাওয়া।  লাইফস্টাইলে আপনাকে ব্যায়াম বা যে কোন এক্সারসাইজ করা শেখাতে হবে। আপনি সুইমিং করতে পারেন, সাইকেলিং করতে পারেন, জগিং করতে পারেন, এছাড়া ইউটিউব দেখে চাইলে আপনি বিভিন্ন পেটের জিম আছে সেগুলো ট্রাই করতে পারেন। তবে যাদের মতো বিভিন্ন সমস্যা আছে তারা চেষ্টা করেন একজন এক্সপার্ট পরামর্শ নিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া।

এরপর আপনাকে কিছু কথা বলব যেটা পেটের মেদ ঝরাতে অনেক বেশি সাহায্য করে থাকে। সে ক্ষেত্রে প্রথমেই হচ্ছে আপনার খাদ্য তালিকায় ফাইবার জাতীয় খাবার অ্যাড করতে হবে। সবুজ শাকসবজি ফলমূল হতে পারে। এছাড়া অ্যাপেল, সিডার, ভিনেগার আমাদের পেটের মেদ কমাতে অনেক বেশী কার্যকর। সে ক্ষেত্রে আপনি খাবারের পরে ক্লাস পানিতে 1 চা চামচ আপেল, সিডার ভিনেগার মিক্স করে খেতে পারেন। তবে যাদের গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যায় ভুগছেন তারা অ্যাভয়েড করবেন। আরেকটা খাবার সকলে যুক্ত করে নিবেন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা কুসুম গরম পানি খেতে পারেন। সেটা আপনার অনেক বেশী কার্যকর। জিরাপানি রয়েছে যেটা রয়েছে। এছাড়াও আপনি চাইলে প্রতিদিন ইসবগুলের ভুষি খেতে পারেন। এটি আপনার পেটের মেদ ঝরাতে অনেক বেশি হেল্প করে থাকে। এরপর যদি আসি টক দই টক তৈরি করে খেতে পারে। সেটাও কিন্তু আমাদের পেটের মেদ কমাতে অনেক বেশি কার্যকর হবে।

এছাড়াও খাদ্যতালিকা ভিটামিন বি-১২ যুক্ত করে নিতে পারেন। এটি কিন্তু পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও মেদ কমানোর জন্য অবশ্যই লেবুর সরবত করে খাবেন।  এটি কিন্তু আমাদের পেটের মেদ কমাতে অনেক বেশী কার্যকর। সে ক্ষেত্রে আপনি চাইলে সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানিতে এক চামচ মধু মিক্স করে খেতে পারেন। এই খাবারগুলো আপনার পেটের মেদ ঝরাতে অনেক বেশী সাহায্য করবে। এছাড়াও কিন্তু অতিরিক্ত রাত জাগা যাবে না। সঠিক সময়ে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন। পেটের মেদ কমাতে নিজেকে আয়নায় বারবার না দেখে যে কাজগুলো করলে আপনার পেটের মেদ কমবে সেগুলো চেষ্টা করুন।  অবশ্যই একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেন।

বাংলাদেশ মিয়ানমার কি শত্রুই থেকে যাবে?

বাংলাদেশ মিয়ানমার কি শত্রুই থেকে যাবে?

একটি দেশ একে অপরের উপর নির্ভরশীল। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক ছাড়া একটি দেশের উন্নতি বাধাগ্রস্ত হয়। উদাহরণ হিসেবে ধরতে পারেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রায় অনেক দেশের সঙ্গেই সু সম্পর্ক নেই। এই প্রসঙ্গে বলতে পারি জাপানের কথা। জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক প্রায় আদায়-কাঁচকলায় কারণে আমেরিকায় প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও বিন্দুমাত্র সাহায্যের কোন আশা নেই। যদিও উত্তর কোরিয়ার সামরিক জান্তা সরকার প্রতিনিয়ত কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে দেশের মানুষ বেকারত্ব বাড়ছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমছে। মুদ্রাস্ফীতিতে দেশের অর্থনীতির দাম বাড়ছে প্রতিটি পণ্যের। আমদানি এবং রপ্তানিকারক প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক নির্ভরতার প্রতীক কোনভাবে অন্য কোন দেশের সাথে আন্তঃসম্পর্ক এবং আন্তঃসংযুক্ত। এটা সত্যি যে বিশ্বের প্রতিটি দেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে কিছু সমস্যা থাকে এবং থাকবেই। তবে সবাইকে মানতে হবে যে দেশগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকে তাদের দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলো সমাধান করা অনেক সহজ হয়ে যায়।

বাংলাদেশ মিয়ানমার কি শত্রুই থেকে যাবে

বাংলাদেশ ভারতের প্রতিবেশী দেশ। তাদের সঙ্গে অনেক সুসম্পর্ক রয়েছে কিন্তু বাংলাদেশের সীমানা নিয়ে সমস্যা লেগে আছে। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সীমান্তবর্তী প্রতিবেশী দেশের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিকভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়নে আরাকান রাজসভার রয়েছে বিশেষ অবদান ছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার বাঙ্গালীদের রয়েছে বিরাট অবদান। একুশ শতকের দ্বারপ্রান্তে এসে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও গাঢ় হওয়ার কথা ছিল কিন্তু বর্তমানে মিয়ানমার যেন বাংলাদেশের জন্য একটা আতঙ্ক ও নিহতের নাম। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে কখনো, সেন্টমার্টিন দ্বীপ কে নিজেদের সীমানা বলে দাবি করছে এই মায়ানমার সরকার।  সীমান্ত পেরিয়ে আসা, উস্কানিমূলক কথাবার্তা এবং পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া লাগানোর নেশায় তারা মত হয়েছে। জনজীবন বিপর্যস্ত মিয়ানমারের সাথে আমাদের সম্পর্ক ভালোর দিকে নেই এটা পরিষ্কারভাবেই বলে দেয়া যায়। বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সুফল ভোগ করতে পারছে না কেউ।

এই দুই দেশের মধ্যকার সমস্যা যেন প্রতিনিয়তই বাড়ছে। তবে বেশ কিছু সমস্যার সমাধান হয়েছে যেমন বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রসীমা নিয়ে 44 বছরের বিরতি 2012 সালে আন্তর্জাতিক বিচারালয় আই টি এল এস এর মাধ্যমে মীমাংসা হয়েছে। তবে রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে দূরত্ব বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের দেশের জনগণের মধ্যেও মিয়ানমারকে নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার জন্ম হয়েছে।  রোহিঙ্গা ইস্যুর এই ঘটনার পর থেকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের  জড়িত হয়েছে। এমন খরা সময়ে মাধ্যমে কি সমাধান করা সম্ভব সম্ভব নয়? একে অপরের বন্ধু হয়ে উঠতে পারে না? বাংলাদেশ-মিয়ানমারের যেকোনো একজন সুনাগরিকের এই বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করাটাই স্বাভাবিক। 13 ই জানুয়ারি 1972 সাল পৃথিবীর ষষ্ঠ দেশ হিসেবে মিয়ানমার বাংলাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্কের যাত্রা শুরু হয়। সোস্যালিস্ট রিপাবলিকান আর্মি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তিনি 26 এপ্রিল 1974 সালে ঢাকায় সরকারি সফরে আসেন।

নিজ অবস্থানে প্রাক্কালে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, তার সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সকল অমীমাংসিত বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সময়কালের বাংলাদেশ মিয়ানমারের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যথেষ্ট ভাল ছিল। কিন্তু ইতিহাসের পরবর্তী পৃষ্ঠা গুলো দেখা যায় 2011 সাল পর্যন্ত শাসন করেছে সামরিক বাহিনী। পরবর্তী সময় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন শুরু হলেও সামরিক শাসকরা পূর্ণ কর্তৃত্ব উপভোগ করে আসছিল গণতন্ত্রের। বরিশাল দেশটির মানুষ কখনই পাইনি 2021 সালের পয়লা ফেব্রুয়ারি 9 বছরের বেসামরিক সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশটির সামরিক জান্তা আবারও রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে নিয়েছে সেনাবাহিনী সমর্থিত অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কাউন্সিল। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করে সামরিক বাহিনী। নেতারা মনে করেন তারা আইন অনুসারে রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়। সাধারণ নাগরিক বিশেষ করে তরুণ সমাজ ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেন। মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে একটা বিষয় স্পষ্ট যে সেনাবাহিনী আরও কয়েক বছর ক্ষমতায় থাকবে।

ইতিমধ্যে সামরিক সরকারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। তাই বর্তমানে জামিনে রয়েছেন তাদের উচিত প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া। বর্তমান রাজনীতির সমীকরণ বিবেচনায় বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের উচিত পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করা। দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক অচলাবস্থা ভাঙার জন্য তিনটি ক্ষেত্রে কাজ করা যেতে পারে।

  • অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন
  • সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
  • এবং আঞ্চলিক সংযুক্তি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে বাংলাদেশের অনেক মানুষ জীবিকার সন্ধানে যাতায়াত করতেন। তখন থেকেই এদেশের মানুষের একটা অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। 1973 সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে। বঙ্গবন্ধু তখন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে কাজ করছেন। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছিলেন। 1973 সালে বাংলাদেশে সাধারণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে। পরবর্তী সময়ে ব্যবসা বাণিজ্য সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো 1980 সালের সীমান্ত চুক্তি এবং 1988 সালের সীমানা নির্ধারণ এবং 1989 সালে অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক। 1995 সালের 5 সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য সম্পর্ক শুরু করে। এভাবেই বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের আনুষ্ঠানিক পরিচালিত এ বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা বাড়তে শুরু করে। 1995-1996 সালে এই সময়ে বাংলাদেশে ইয়াঙ্গুনে বাণিজ্য প্রদর্শনী চালু করে। সেই মনোরম দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয়। মিয়ানমারের দীর্ঘ মেয়াদী কর্তৃত্ববাদী শাসন এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী অর্থনৈতিক নীতির কারণে দেশের সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বারবার বাধাগ্রস্ত হয়। এত সমস্যার মধ্যেও দু'দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চলছে আপন গতিতে।

2020 সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মোট দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় 10 মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল 48.5 মিলিয়ন মার্কিন ডলার আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় 64 মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 2021 সালে মিয়ানমারে রপ্তানির সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশে প্রায় 230 কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করে পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় 24 কোটি টাকা বেশি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন করা এবং দুই দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। বাণিজ্যকে সম্প্রসারিত করতে বাংলাদেশের ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং মিয়ানমারের রিপাবলিক অব দ্য ইউনিয়ন অফ মায়ানমার ফেডারেশন অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি একসাথে কাজ করতে পারে। সম্পর্কের পাশাপাশি সীমান্ত অর্থনৈতিক সম্পর্ক ত্বরান্বিত করার একটি ভাল বিকল্প হতে পারে। এটি একদিকে যেমন সীমান্ত এলাকার মানুষের জীবিকার নতুন সুযোগ তৈরি করবে অন্যদিকে একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যবসা কেন্দ্র গুলোর সাথে সংযোগ স্থাপন করবে।

এখানে একটা বিষয় উল্লেখ করা উচিত রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ দারিদ্র্য। সুতরাং সীমান্ত হাট এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করে রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ দারিদ্রতা মোকাবেলা করা সম্ভব। একটু আগেই বলেছিলাম যে 1995 সালের 5 সেপ্টেম্বর মিয়ানমার বাংলাদেশ সীমান্তে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য শুরু হয়। এর অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যকার অনানুষ্ঠানিক সীমান্ত বাণিজ্য বৈঠক করেন। একইভাবে এর মাধ্যমে সীমান্ত বাণিজ্য শুরু হয় 28 ডিসেম্বর 1998 সাল থেকে। এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রপ্তানি প্রায় 40% এবং বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারের আমদানির প্রায় 30% সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো যেমন থাইল্যান্ড মালয়েশিয়া সিঙ্গাপুর এবং ইন্দোনেশিয়া সাথে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে যোগাযোগের জন্য বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার  ব্যবহার করে আসছে। যোগাযোগের জন্য মিয়ানমার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি অপশন। মিয়ানমারের সাথে সুসম্পর্ক বাংলাদেশকে এসব দেশের বাজারে প্রবেশ করে দেবে। চাষাবাদের জন্য বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে 10 থেকে 15 বছর মেয়াদে জমি অধিগ্রহণের কথা রয়েছে। এই উদ্যোগের দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

বেসরকারি যেকোনো বড় কোম্পানি গ্রহণ করে চাষাবাদ উৎপাদন করতে পারে। এতে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তায় মিয়ানমার সহায়ক হতে পারে। অন্যদিকে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হলে খাদ্যশস্যের জন্য ভারতের ওপর নির্ভরতা অনেক ক্ষেত্রে কমানো সম্ভব। কৃষিভিত্তিক মিয়ানমারে বাংলাদেশের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। সবচেয়ে বড় শক্তি খনিজ সম্পদ নানা ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ এই দেশের উল্লেখ যোগ্য সম্পদের মধ্যে রয়েছে। প্রাকৃতিক গ্যাস বর্তমানে এশিয়ার অন্যতম প্রধান গ্যাস উত্তোলনের জন্য পুরোপুরি মিয়ানমারের ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হতে পারে জ্বালানির উৎস এছাড়া দেশের সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হয়। এখন বঙ্গোপসাগরে যৌথ উদ্যোগে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করতে পারে। তাতে একদিকে যেমন দু'দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে। অন্যদিকে বাণিজ্যিকভাবে দুটি দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা থাকবে।

যেকোনো সংকট আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এমন অজস্র উদাহরণ রয়েছে যেখানে প্রতিদ্বন্দী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একে অপরের সাথে ভালো অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ চীন এবং ভারতের কথাই ধরা যাক। কয়েক দশক ধরে বেশ কয়েকটি সংঘর্ষে জড়িয়েছে বিশেষ করে লাদাখ সীমান্ত সংঘাতের পর থেকে তাদের মধ্যে উত্তপ্ত সম্পর্ক বিরাজ করছে। কিন্তু ভারতের চুক্তি সংস্থা শিল্পখাতে এবং কাঁচামাল সরবরাহ বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার বৃহত্তর দুটি দেশের অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা তাদের মধ্যে বিদ্যমান। সমস্যাগুলো সমাধানের দিকে যাওয়ার নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক দুই দেশের মধ্যকার যে কোনো সঙ্কট নিরসনে নিঃসন্দেহে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।  তাই দু'দেশের উচিত বন্ধুত্ব সুলভ আচরন করা এবং একে অপরের বন্ধুত্ব হাওয়া।

দাঁত ক্ষয় হওয়ার কারণ জেনে নিন

দাঁত ক্ষয় হওয়ার কারণ জেনে নিন

দাঁতের ক্ষয় সাধারণত আমাদের প্রতিটা মানুষেরই একটি কমন সমস্যা। দাঁতের ক্ষয় হয় নি বা কখনো দাঁতের খয়ের সমস্যার সম্মুখীন হয়নি এরকম মানুষ খুবই কম। কারণ আপনার 32 টা দাঁত থাকলে 32 টা দাঁত এর মধ্যে কিছু না কিছু দাঁতে অবশ্যই প্রবলেম হবে। এই স্বাভাবিক সমস্যায় সম্মুখীন হলে অবশ্যই একজন ডেন্টাল সার্জনের শরণাপন্ন হন। সেখানে অনেক সময় এই সমস্যা থেকে পরিত্রান পেতে পারেন। সেটি কীভাবে হয় আমাদের সেই জিনিসটা সাধারনত অনেকেই বুঝতে পারেনা।  আসলে এই সমস্যাটি কিন্তু দিনের পর দিন  আপনাকে আক্রমণ করে আসছে। আপনারা যখন অবহেলা করতে থাকেন বা কোন ভুল ভাবে কোন কিছু মেইনটেইন করতে থাকে সে জিনিসটি থেকে এ রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এছাড়াও আপনার দাঁত ব্রাশ করা ভুল নিয়মে অনেকেই এসমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। ইচ্ছামত অনেক জোরে জোরে ঘোষের দাঁত ব্রাশ করি। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানি না এটা করা মোটেও ঠিক নয়। অনেক লম্বা সময় নিয়ে ব্রাশ করি। কারো খেয়াল থাকেনা 10 মিনিট 15 মিনিট চলে যায়। সে ভাবে জোরে জোরে ঘষে ঘষে ব্রাশ করলে হয়তো বা খুব ভালোভাবে দাঁত পরিষ্কার হবে কিন্তু আসলে এটা মোটেও ঠিক না।

দাঁত ক্ষয় হওয়ার কারণ জেনে নিন

দিনের পর দিন যখন এভাবে ব্রাশ করতে থাকি তখন টুথব্রাশের এই বিষয়গুলোর উপর ঘর্ষণের কারণে দাঁতগুলো ক্ষয় হতে থাকে। আমাদের প্রথমে দাঁতের উপরের লেয়ার যেটি হালকা সাদা যেটি নাম হচ্ছে এনামেল। এনামেল ক্ষয় হয়ে একসময় দাঁতের ভিতরে যে অংশ থাকে যেটি সেটি পর্যন্ত ক্ষয় হয়ে যায় এবং অনেক সময় বিশেষ এক ধরনের ক্ষতের সৃষ্টি হয় যাকে বলা হয়ে থাকে  ইল্যুশন। এই সমস্যাটি ধাপে প্রতিনিয়ত টুথব্রাশের ঘোষণার কারণে হয়ে থাকে। এর সাথে সাথে দাঁতের ক্যারিজ হওয়া সম্ভাবনা কিন্তু থেকে যায়। এছাড়াও দাঁতের ক্ষয় এর প্রধান কারণ হলো এটি সাধারণত আমাদের মুখে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া থাকে তা থেকে দাঁতের ক্ষয় দেখা দিয়ে থাকে। আমরা যখন অনেক দীর্ঘ সময় দাঁত ব্রাশ করি না, ঠিকমতো পরিষ্কার করছি না,  খাওয়া-দাওয়ার পরে ভালোভাবে ব্রাশ করছি না তখন কিন্তু আমাদের মুখে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে। সেটি আমাদের মুখে বিদ্যমান ল্যাকটিক এসিডের সংস্পর্শে এসে যে খাদ্য গুলো জমে থাকে সেগুলোতে ব্যাকটেরিয়াল কলোনাইজেশন এর মাধ্যমে দাঁতের ক্ষয় সৃষ্টি করে যাকে আমরা ক্যাভিটি বলি।এ ধরনের সমস্যা হলে দাঁত সাধারণত হলুদ বর্ণের হয়ে থাকে আবার অনেকে সেটাকে দাঁতে পোকা হওয়া বলে থাকেন। কিন্তু আসলে পোকা বলতে কিছু নেই। দাঁতের ক্ষয় দাঁতের ক্ষয় ক্রমাগত বাড়তে থাকে, জায়গাটি কাল হতে থাকে হতে থাকে এবং সে জায়গায় খাবার আটকে যায়। এভাবে দাঁতের অংশটি দিনের-পর-দিন ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে।

এছাড়া অনেকগুলো কারণে কিন্তু এই সমস্যা হতে পারে। এ সমস্যাটি হলে কিন্তু মুখে লালা নিঃসরণ কমে যায়। যার ফলে মুখে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পায় এবং মুখে ক্ষয় হতে থাকে। দাঁতের মধ্যে বিভিন্ন সংক্রমণ ঘটতে থাকে। তাছাড়া এসমস্যার অন্যতম কারণ, এর মধ্যে রয়েছে আঁকাবাঁকা দাঁতের সমস্যা। যাদের দাঁত আঁকাবাঁকা তাদের আমরা যখন ব্রাশ করি বৃত্তের চারপাশে পৌঁছায় না। যার কারণে তাদের প্রতিনিয়ত খাবার জমে থাকে এবং সেখান থেকে দিনের পর দিন এভাবে থাকার কারণে দাঁতের ক্ষয় হয়। এগুলো দাঁতের ক্ষয় এর অন্যতম উল্লেখযোগ্য কারন গুলোর মধ্যে একটি। তাছাড়াও অনেকেরই অভ্যাস রয়েছে ঘুমের মধ্যে দাঁতে দাঁত কাটার সমস্যা থাকে। তিনি সাধারণত বুঝতে পারে না যে তার দাঁতে দাঁত কাটার সমস্যা রয়েছে। তার আশেপাশে যারা মানুষ তারা যদি একটু খেয়াল করে থাকেন তারা বলতে পারবেন যে তিনি রাতে ঘুমের মধ্যে দাঁত কেটে থাকেন। অনেকেরই থাকেন দাঁতে দাঁত চেপে চেপে ধরে রাখার একটি বিষয় থেকে থাকে। অনেকে সুতা কাটার কারন ক্রমাগত দিনের পর দিন আমাদের দাঁতগুলো ক্ষয় হতে থাকে। তাহলে আপনাদের মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন হচ্ছে কি করলে আমরা দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধ করতে পারব?

একই নাম্বারে দাঁতের ক্ষয় দেখা দিলেই একজন অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের শরণাপন্ন হওয়া। দাঁতের ক্ষয় বেশিরভাগ সময়ই চিকিৎসা করে ঠিক করা যায়। দাঁতের ক্ষয় দেখা দিলে সেগুলো যদি আমাদের অস্থি মজ্জার সাপ্লাই পর্যন্ত না গিয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে এগুলো ফিলিং করে নিলেই হবে। এখন অনেক সুন্দর দাঁতের কালার সমঞ্জস্যপূর্ণ রেখেই কাজ করে যাচ্ছে। যেগুলো সম্প্রদায় কালারের সাথে ম্যাচিং করে করা হয় এবং কখনো বোঝা যাবেনা। চিকিৎসার পরে আপনার দাঁতে কখনো হয়েছিল তার সাথে সাথে আপনাদের যদি কিছু হয়ে থাকে সেটিই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দাঁতের অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নাইটগার্ড ব্যবহার করা এবং আমাদের অবশ্যই অ্যালকোহল জাতীয় প্রত্যাহার করতে হবে। এছাড়াও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে যদি আপনার দাঁতের ক্ষয় হওয়ার কারণে সেনসিটিভিটি সমস্যা থেকে থাকে সেই অনুযায়ী অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

শেয়ার বাজার সম্পর্কে ধারণা জেনে নিন

শেয়ার বাজার সম্পর্কে ধারণা জেনে নিন

শেয়ারবাজার হল এমন একটা জায়গা যেখানে প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে। কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু মানুষ প্রচুর টাকা উপার্জন করেন এবং কিছু মানুষ অনেক লোকসান করে। অনেকেরই মনে হতে পারে যারা প্রচুর টাকা উপার্জন করেন শুধুমাত্র তাদের ভাগ্য ভালো। আবার কেউ কেউ তা বিশ্বাস করেন না। তারা জানতে চান প্রত্যেকদিন এত অর্থ উপার্জন করতে পারছেন কিভাবে? আসল কথাটা হলো পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষই চায় অর্থ উপার্জন করতে। তাই তারা বিভিন্ন পথ বেছে নেন। কিন্তু আজকের দিনে দাঁড়িয়ে খুবই কম সময়ে অনেক অর্থ উপার্জন করার একটাই রাস্তা খোলা আছে আর তা হলো শেয়ারবাজার। কিন্তু শেয়ারবাজারের অর্থ বিনিয়োগ করা তো অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। তাহলে সবাই কেমন করে অর্থ উপার্জন করবে? আর্থিকভাবে সচ্ছল অনেক মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের অর্থ উপার্জনের পথ কে ভালোভাবে জেনে শুনে প্রচুর পড়াশোনা করে এমন বেশ কিছু উপায় কথা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে চাই। দেখুন শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে যারা অনেক অনেক অর্থ উপার্জন করেছেন তারা যদি শুধুমাত্র ভাগ্যের জোরে অর্থ উপার্জন করতে পারতেন তাহলে পৃথিবীতে যে সমস্ত মানুষ জ্যোতিষশাস্ত্র চর্চা করেন হয়তো তারাই সব থেকে বেশি বড়লোক হতে। কিন্তু এমনটাতো নয়।

শেয়ার বাজার সম্পর্কে ধারণা জেনে নিন

আপনাকে প্রথমত বুঝতে হবে যে শেয়ার মার্কেট এর উপরের দিকে যাবে নাকি নিচের দিকে নামবে? আগে থেকে বলা কখনোই সম্ভব নয়। আপনাকে অনেক কিছু বিচার বিবেচনা করে তারপর বুঝতে হবে শেয়ার মার্কেটের ওপরের দিকে যাবে নাকি নিচের দিকে নামে। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো আপনাকে কি কি বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে হবে? কি জানতে হবে এবং কি শিখতে হবে? সবথেকে বড় প্রশ্ন হলো আপনি সেই জিনিস গুলো কেমন ভাবে প্রয়োগ করবেন? শেয়ারবাজারের মতো একটি ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় আপনি যদি হঠাৎ করে কোন অর্থ বিনিয়োগ করে দেন তাহলে আপনার বিরাট বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই অনেক ভাবনা চিন্তা করে তবে কোনো সিদ্ধান্তে আসুন। আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যারা দীর্ঘ সময় ধরে শেয়ারবাজারে কাজ করছেন। আপনি কি তাদেরকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে পারবেন যদি এর উত্তর আপনার হ্যাঁ বলে মনে হয় তাহলে সেটাই হতে পারে আপনার সবচেয়ে বড় ভুল। কারণ শেয়ারবাজারে এমন অনেক মানুষ কাজ করে যারা শুধুমাত্র তাদের নিজেদের এবং তারা যে সংস্থায় কাজ করেন সেই সংস্থার স্বার্থ দেখে চলে। তাহলে শেয়ার বাজারের কোথায় অর্থ বিনিয়োগ করবেন বা বিনিয়োগ করবেন?

শেয়ার বাজারের অর্থ বিনিয়োগ করার বিভিন্ন রকম রাস্তা আছে। কিন্তু কোথায় বিনিয়োগ করলে আপনি সবথেকে বেশি লাভ করতে পারবেন এবং সব থেকে বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন সেই সমস্ত কিছু  আপনাকে আগে ভালোভাবে জানতে হবে কারণ কোন কিছু না জেনেই অর্থ বিনিয়োগ করা বোকার মত কাজ। তাই আমি আপনাকে পরামর্শ দিতে চাই যে কোন কাজ করার আগে অবশ্যই ভেবে নেবেন। এখান থেকে আপনার সফলতা আসবে কিনা। কেমন করে আমরা শেয়ারবাজারে অর্থ বিনিয়োগ করব  তা সম্পর্কে বিস্তারিত না জেনে কখনো নয় এ পথে পা বাড়াবেন না। কারণ এটি একটি বিপদজনক রাস্তা বলতে পারেন।  দেখুন অনেকেই নিঃস্ব হয়েছে এ পথে এসে। আবার অনেকেই কিন্তু অনেকক্ষণ হয়েছে এরপর থেকেই। ভালোভাবে আগে বিচার বিশ্লেষণ করুন তারপরে পথে নেমে আসুন। তাহলে আপনার কিন্তু প্রচুর পরিমাণ অর্থ লোকসান হতে পারে। কোন পথ ধরে বলে আপনি এ পথে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাবেন সে সম্পর্কে ভালভাবে বিচার বিশ্লেষণ করো। অবশ্যই আপনি বিচার বিশ্লেষণ করবেন কখন  শেয়ার বাজার উপরের দিকে উঠতে থাকবে।

এ শেয়ার বাজারে আপনি যদি একবার ভয় পেয়ে যান তাহলে কিন্তু আপনারই ক্ষতি। তাই আপনাকে ভয় পেলে চলবে না। এছাড়াও বিভিন্ন সময় আসতে পারে যখন আপনি বিনিয়োগের সময় নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।তাহলে কিন্তু আপনার লোকসান হতে পারে। আপনার অনেক অর্থ লোকসান হয়ে গেল তখন আপনার মন ভেঙে যেতে পারে এবং শেয়ার বাজারের উপর কিনা আসতে পারে তাই সময় থাকতে সচেতন হয়ে শেয়ার বাজারে নামবেন এবং সঠিক পথ গুলো যাচাই-বাছাই করে শেয়ার বাজারের নামা উচিত। সবচেয়ে বড় কথা হলো শেয়ারবাজারে কিছু গতিবিধি বোঝা যায়। এগুলো যদি আপনি সঠিকভাবে বুঝতে পারেন তাহলে আমি বলব আপনি শেয়ার বাজারে আসতে পারে। এছাড়া কখনো শেয়ারবাজারে পা বাড়াবেন না। কারণ এটি একটি ধ্বংসের প্রধান পদ বলতে পারেন।

এশিয়া মহাদেশের অজানা ইতিহাস

এশিয়া মহাদেশের অজানা ইতিহাস

আমরা সকলেই জানি পৃথিবীর সৃষ্টির হওয়ার সময় পৃথিবীর জ্বলন্ত আগুনের পিণ্ড ছিল। সেই অবস্থা থেকে কোটি কোটি বছর ধরে তাপ বিকিরণ এর মাধ্যমে পৃথিবীর ঠান্ডা হয়েছে। তবে সেই সময়ে পৃথিবীতে কোন দেশ ছিল না। তখন সম্পূর্ণ পৃথিবীতে একটি মাত্র ভূখণ্ড ছিল যাকে বলা হয় প্যানজিয়া। এবার প্রশ্ন হল পৃথিবীতে যদি সৃষ্টির সময় একটিমাত্র ভূখণ্ড থেকে থাকে তাহলে আজ আমরা যে মহাদেশ মহাসমুদ্র দেখতে পাই সেগুলো কোথা থেকে এলো? ভারত বর্ষ কিভাবে সৃষ্টি হল? আর কেন ভারত এশিয়া মহাদেশের সাথে যুক্ত? পৃথিবীর সৃষ্টির সময় এটি ছিল একটি গোলাপ লাভা যা কোটি কোটি বছর ধরে শীতল হয়। এই সময় পৃথিবীর উপরিভাগে থাকে লাভা ঠান্ডা হয়ে শক্ত হয়ে যায়। তখন পৃথিবীতে একটি বিশাল আকার ভূখণ্ডের সৃষ্টি হয় যাকে বলা হয় প্যানজিয়া। সেই সময় আজকের মত সাতটি মহা সমুদ্রের ছিলনা। সেসময় পৃথিবীতে একটি মহাদেশ ছিল। যার নাম বিজ্ঞানী আলফ্রেড ওয়েগনার বলেন কয়েক কোটি বছর ধরে ধীরে ধীরে দু'ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল। উত্তরভাগ টির নাম ছিল লরেশিয়া এবং দক্ষিণভাগ নাম ছিল গন্ডোয়ানাল্যান্ড।

এশিয়া মহাদেশের অজানা ইতিহাস

বিজ্ঞানী আলফ্রেড বলেন, প্যানজিয়া মহা খন্ডটির উত্তরভাগ থেকে বর্তমানের উত্তর আমেরিকা ইউরোপ এবং এশিয়া মহাদেশের সৃষ্টি হয়েছে। আর দক্ষিণভাগ থেকে দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, আন্টার্টিকা এবং ভারতবর্ষের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সময়ের সাথে সাথে এদের মধ্যে একটি দূরত্ব বাড়তে থাকে আর এদের মধ্যে খানে একটি অগভীর সমুদ্র সৃষ্টি হয় যাকে বলা হয় টেথিস সাগর। বিজ্ঞানীদের মতে, প্রায় 24 কোটি বছর আগে সেই বিশাল ভূখণ্ডটি বিভিন্ন দিকে সরে যেতে শুরু করে। উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে আটলান্টিক মহাসাগর গঠন করে। এরপর অস্ট্রেলিয়া পূর্ব দিকে সরে গিয়ে ভারত মহাসাগর গঠন করে। কিন্তু এই সময়ে আন্টার্টিকা দক্ষিণ মেরু অঞ্চল থেকে যায় প্রশান্ত মহাসাগর নামে থেকে যায়। আর এই প্রক্রিয়া প্রায় কয়েকটি বছর ধরে চলেছিল। এভাবেই ওই মহা খন্ড থেকে বর্তমানে মানচিত্রে থাকা বিপুলসংখ্যক দেশের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই খণ্ডগুলোর বিভক্ত হওয়ার ফলে মাঝখানে ফাঁকা জায়গা গুলোতে তৈরি হয়েছে মহাসাগর। বর্তমানে ভৌগলিক দিক দিয়ে ভারত এশিয়ার একটি অংশ। তবে কয়েক কোটি বছর আগে ভারতের থাকে বর্তমানে মানচিত্রে থাকা বিপুলসংখ্যক দেশের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই খণ্ডগুলোর বিভক্ত হওয়ার ফলে মাঝখানে ফাঁকা অনুযায়ী জায়গাগুলোতে তৈরি হয়েছে মহাসাগর।

এশিয়ার বর্তমান দিকে এগিয়ে আসতে শুরু করে। কয়েক হাজার বছর ধরে এই প্রক্রিয়া চলতে থাকার পর একসময় ভারতের একটি লাদাখের সাথে ধাক্কা মারে এবং ভারতের অংশটি লাদাখের সাথে জুড়ে যায়। এভাবে কোন গুরুত্বপূর্ণ দেশ ভারতে পরিণত হয়েছিল। বিজ্ঞানীরা বলেন, যখন ভূখণ্ডের দুটি অংশ একে অপরের সাথে ধাক্কা খায় তখন হাড়ি-পাতিল নিচের দিকে চলে যায় এবং হালকা পাহাড়ি পথের উপরে উঠে যায়। এখানে ভারতের পাট ও লাদাখের ইউরেশীয় পাতের মধ্যে থাকার ফলে সেই অংশের মাটিতে ভাঁজ পড়ে এবং সৃষ্টি হয় আজকের হিমালয় পর্বতমালা যা বর্তমানে বিশ্বের সবথেকে উঁচু পর্বতমালা। বিজ্ঞানীরা বলছেন ভারতীয় এখনো প্রতিবছর 5.4 সেন্টিমিটার করে উত্তর দিকে এগিয়ে আসছে তাই হিমালয়ের উচ্চতা এখনো ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। আর এই কারণে ভারতের এই অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভব করা যায়। এখন আপনি যদি মনে করেন পৃথিবীতে বিপুল বদল মাত্র কয়েকদিন বা কয়েক বছরে ঘটেছে তাহলে আপনি সম্পূর্ণ ভুল। পৃথিবীর হতে সময় লেগেছে প্রায় কয়েক শ' কোটি বছর। সৃষ্টির সময় থেকে এখনো পর্যন্ত অনবরত পৃথিবীতে বদল হচ্ছে। তবে তা এতটাই ধীরগতিতে হচ্ছে যে আমার বা আপনার আপাতদৃষ্টিতে সেটা বোঝা সম্ভব নয়। বিজ্ঞানীরা পৃথিবীতে ঘটে চলা প্রক্রিয়াগুলো নিয়ে সবসময় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এবং তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এই সম্পর্কে আমরা জানতে পারি বিজ্ঞানী আলফ্রেড এর প্রমাণ হিসেবে বলে, যদি পৃথিবীর সমস্ত ভূখণ্ডকে আবার জুড়ে দেওয়া যায় তবে একবার প্রিয়া নামের ভূখণ্ড গঠিত হবে। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা দ্বারা প্রমাণ করেন যে সকল টুকরোগুলো একে অপরের সঙ্গে মিলে যায়।